1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৯ নেতাকর্মী আটক

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

স্বাধীনতার ৪৯ বছর; যা উপহার দিলেন সরকার প্রধান! (সংক্ষেপে)

  • প্রকাশকাল : বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১২ পঠিত

আওয়ার মিডিয়া : বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে । স্বাধীনতার পাঁচ দশক হতে চলল। তাই আমরা এখন খাতা খুলে হিসাব মেলাতে চাই। এই পাঁচ দশকে আমাদের কী গেল, আর কী পেলাম আমরা। লাখো শহীদের রক্তের ঋণ কি শোধ হয়েছে? স্বাধীন দেশে আমরা স্বাধীন আছি নাকি পরাধীন ? গতানুগতিক আলোচনা ছেড়ে  আসুন আজ সরাসরি আমাদের পাওয়া-না পাওয়ার ছোট্ট একটি হিসাব কষি…পরিসংখ্যানটা স্পষ্ট হলে আর যাই হোক আমরা অন্তত সত্যটা জানতে পারবো!
১৯৭১ সাল থেকে দেশ স্বাধীন হবার পর থেকে আজ ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৫ জন ব্যক্তি পর্যায়ক্রমে এ দেশের শাসক হিসেবে ক্ষমতার মসনদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এখানে আমরা স্রেফ বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন এবং তার শাসনামলে আমাদের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিয়ে সংক্ষেপে দু’চার কথা বলার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
১৯৯৬ সালে সর্বপ্রথম জনগণের ভোটারে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা আসে বর্তমান সরকার শেখ হাসিনা। এরপর মাঝে ৭ বছরের গ্যাপ দিয়ে পুনরায় ২০০৮ সাল থেকে বর্তমান ২০২০ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় আছেন।
তিনি তার শাসনামলে জনগণকে অনেক কিছুই উপহার দিয়েছেন৷ তার দেওয়া উপহার-উপহাসের পরিসংখ্যানটা তুলে ধরতে গেলেও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। প্রয়োজন বিস্তর আলোচনা ও অনুসন্ধানের। কিন্তু আমরা সংক্ষেপে সরকার প্রদানের দেওয়া মৌলিক কয়েকটি উপহার-উপহাস নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।

আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের ভয়াবহ চিত্র  (২০০৮-২০২০)
★ বিডিআর হত্যাকান্ড : ২০০৮ সালে ভারতের টাকায় ক্ষমতায় আসার পর সরকার তার গদিকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আর সেই পদক্ষেপগুলোর সূচনা করে সর্ব প্রথম পিলখানার হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে।
২০০৯-এর  ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৭৩ জন নিহত হয়, যার মধ্যে ৫৭ জনই ছিলেন সেনা অফিসার। এই বিদ্রোহে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা চলা কালে মৃত্যু হয় আরো ৫৭ জন বিডিআর কর্মচারির। পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে জানা যায়—এই ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগে থেকেই জানতেন এবং সে জন্যে তিনি এই দিনে পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পিলখানায় যাননি।
★ ট্রানজিটের নামে দেশের সার্ভভৌমত্ব হুমকিতে ফেলা এবং নদী ও রাস্তাঘাট ধ্বংস করা …….২০১০ সাল থেকেই আশুগঞ্জ-আখাউড়া স্থলপথে ইনডিয়া ট্রানজিট সুবিধা নেয়। ইনডিয়ানরা তাদের হেভি লরি চলাচলের জন্য ১৬টি কালভার্ট বন্ধ করে দেয় এবং তিতাস নদীর দুটি স্থানে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে গুরুতর পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে। আর সরকার ইন্ডিয়ার এই দূর্নীতি বন্ধ করবে তো দূরের কথা; বরং তাদেরকে আরো জামাই আদরকরে দূর্নীতি করার সুযোগ দিয়েগেছে।
★ শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারী : শেয়ারবাজার প্রসঙ্গ এলেই ঘুরেফিরে আসে দুইটি কেলেঙ্কারির কথা। একটি ১৯৯৬ সালের কেলেঙ্কারি, অপরটি ২০১০ সালের। আর এই দুটি কেলেঙ্কারির ঘটনার সময়ই দেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার।
বিশেষকরে ২০১০-এর শেষাংশে শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে দেশের প্রায় ৩৩ লক্ষ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদি প্রতিটি বিনিয়োগকারীর পেছনে পাঁচজন সেকেন্ডারি বিনিয়োগকারীও থাকে তাহলে দেশে মোট ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা হবে এক কোটি ৬৫ লক্ষ। অর্থাৎ দেশের এক দশমাংশ জনসংখ্যার কিছু বেশি। এভাবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে যান। দিশাহারা এসকল বিনিয়োগকারী মতিঝিলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, ‘ওরা দেশের শত্রু। সমাজের শত্রু। ওদের জন্য মাথা ঘামানোর কোনো কারণ নেই। তাদের কষ্টে আমার মন কাঁদে না”। কল্পনা করা যায়?  এত বড় একটি কেলেংকারীতে সরকারপক্ষ কেন তা প্রতিরোধের ভূমিকা রাখলো না!
★ হলমার্ক দুর্নীতির কেলেঙ্কারী : আগস্ট ২০১২-তে বিভিন্ন পত্রিকায় হলমার্ক গ্রুপের জালিয়াতির খবর প্রকাশিত হতে থাকে। জানা যায় সরকারি ব্যাংক এবং  সোনালী ব্যাংকের শেরাটন হোটেল ব্রাঞ্চে (বর্তমানে শেখ হাসিনার দেয়া নাম রূপসী বাংলা হোটেল) বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কুশ্রী অর্থনৈতিক কেলেংকারির ঘটনা ঘটে। যার পরিমাণ ৩,৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ বা প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে হলমার্ক একাই নিয়েছে প্রায় ২,৬৬৮ কোটি টাকা। একটি ব্যাংকের একটি ব্রাঞ্চে একটি কম্পানির এই পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা আর কোথাও ঘটেছে বলে ব্যাংকিং খাতের কেউ বলতে পারে নি। বাংলাদেশে এর আগে বিভিন্ন সময়ে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটলেও অঙ্কের বিচারে এটিই সর্ববৃহৎ। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই ব্যাংকিং খাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি। (প্রথম আলো ৫.৯.২০১২)।
★ সাভারের রানা প্লাজার ট্রাজেডি : আওয়ামীলীগ নেতা রানার ভবন ধসে পড়ে সরকারী হিসাবে নিহত হয় ৪০০ জন শ্রমিক ..কিন্তু বৃটেনের দৈনিক টেলিগ্রাফসহ বিবিসি বলছে, এ দূর্ঘটনায় প্রায় ১১০০ জন শ্রমিক মারা যায়।
কিন্তু একে কেন্দ্র করে করা মামলাগুলোর একটি ছাড়া বাকি প্রায় কোনটিরই আজও নিষ্পত্তি হয় নি।
★ সীমান্ত হত্যাকাণ্ডে নীরবতা: আমাদের সকলেরই হয়তো ফেলানির কথা মনে আছে….যাকে হায়েনা বিএসএফ নিশঃস্রভাবে খুন করে কাটা তারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রেখেছিল …শুধু এই ফেলানিই নয়, সীমান্ত হত্যাকান্ডে গত এক দশকে প্রাণহানি ঘটেছে ৩৩২ জনের। পরিসংখ্যান বলছে- ২০০৯ সালে ৬৬, ২০১০ সালে ৫৫, ২০১১ ও ২০১২ সালে ২৪ জন করে, ২০১৩ সালে ১৮ জন, ২০১৪ সালে ২৪ জন, ২০১৫ সালে ৩৮ জন, ২০১৬ সালে ২৫ জন, ২০১৭ সালে ১৭ জন এবং ২০১৮ সালে তিনজন এবং ২০১৯ সালে ৩৮ জন হত্যার শিকার হন। এসকল হত্যাকান্ডের বিচার হবে দূরের কথা; মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর করুণা যে, তিনি এ বিষয়ে স্বামীপ্রতিম ভারতের সাথে আজ অবধি ফাইনাল কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন নি!
★ গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড : ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্তমান সরকারের অধীনে এ দেশে প্রায় তিন হাজার মানুষ পুলিশ এবং ডিবির হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।  এদের অধিকাংশই ছিল বিরোধী দলের নেতাকর্মী।  এ ছাড়াও গত ১০ বছরে জেলা কাস্টডিতে মারা গেছেন ৭৯৫ জন, গুম হয়েছে ৬০১ জন, ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮০৬ জন নারী, ১৯৩৪ জন শিশু নির্যাতিত হয়েছে এবং ১৮ জন শিশু হত্যার শিকার হয়েছে। এমনিভাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ১৯৬ জন এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং অথবা কাস্টোডিয়াল ডেথের শিকার হয়েছে। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩৮৮ জন, ২০১৮ সালে ৪৬৬, ২০১৭ সালে  ১৬২ এবং ২০১৬ সালে ছিল ১৯৫ জন।
অথচ আমাদের সংবিধানও বিচারবহির্ভূত এসকল হত্যাকান্ড সমর্থন করে না। এবং এ সকল কর্মকাণ্ড , গুম-খুন, জুলুম- অত্যাচার, নির্যাতন-নিপীড়ন ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট ১৯৭৩ ধারা-২(২)(ক) এর অধীনে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু সরকার প্রধান বলে কথা! তিনি অপরাধ করলে তার কোন বিচার হবে না—এটাই হয়তো এ জগতের
নীতি, তার জন্য সাতখুন মাফ — এটাই হয়তো এ পৃথিবীর বিধি!

প্রিয় পাঠক! সরকার এ দেশের জনগণের জন্য আরো অনেক কিছুই করেছে!সরকার দেওয়া সকল উপহারের বর্ণনা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বাস্তবেই সম্ভব নয়। আর আমরা চাই না, সরকারকে আর কষ্ট দিতে! তার প্রতি আমরা যথেষ্ট কৃতজ্ঞ!! লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার বিনিময় সরকার এভাবে দিবে—তা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না! সত্যিই, সত্যিই মহান এ সরকার! মহান তার শাসনামল!!

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews