1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

সাম্প্রতিক কালের কিছু আধুনিক ধ্যাণ-ধারণা : ইসলামের বিধান ?

  • প্রকাশকাল : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৯২ পঠিত

এনায়েতুল্লাহ

আক্বীদা হচ্ছে বিশ্বাসের এমন এক প্রক্রিয়া যা আশা-নিরাশা জাযা- সাজা শূন্যতা-পূর্ণতা ও সফলতা-ব্যর্থতার কেন্দ্রস্থল এবং আখেরাত দিবসে যার বিশুদ্ধতার ওপরই নির্ভর করে আমালে সালিহা হুসনে খুলুকের প্রতিদান- বিনিময়। একজন মুসলমানের জন্য আকীদা-বিশ্বাসের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও ভুল ভ্রান্তি কোন কোন ক্ষেত্রে কখনোই ক্ষমার যোগ্য নয়।

তবে কখনো বিশেষ ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা বিশেষ অনুগ্রহে ক্ষমা করে থাকেন-সেটি ভিন্ন কথা।

স্বাভাবিকভাবে একটি অপরাধ করা ও অপরাধ থেকে বৈধ মনে করা দুটো সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্ন বিষয়। শরীয়তের বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রেও এ দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়। অপরাধ করলে এক শাস্তি আর অপরাধকে বৈধ কিংবা হালকা মনে করলে আরেক শাস্তি।

এক্ষেত্রে কখনো তো ঈমান চলে যায় নিঃসন্দেহে। তাই আমরা আমল যতটুকু করি না কেন অন্তত আকীদা-বিশ্বাস সঠিক রাখার পরিপূর্ণ চেষ্টা করব। এব্যাপারে
ন্যূনতম শিথিলতাও শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়।

সাম্প্রতিককালে অধিকাংশ সাধারণ মুসলমান ও সেক্যুলার জাতীয় কিছু লোক
আকীদা-বিশ্বাসে বিষয়গুলোতে  সীমাহীন বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির রয়েছে। সার্বিক
পরিস্থিতি এখন আমাদের আমলের পাশাপাশি আমাদের আকিদা-বিশ্বাসের ফাটল ধরিয়ে দিয়েছে।

অধুনা চিন্তা-চেতনা ও ভাবনার কল্যাণে (?) এখন আমরা সীমাবদ্ধতার
সীমারেখা অতিক্রম করে ফেলেছি। অতএব আকীদা-বিশ্বাস ও ভ্রান্ত মতবাদের বিষয়গুলোতে আমাদের আরো সচেতন ও কঠিন হতে হবে। সর্বদা সঠিক আকিদা পোষণ এর অধিকারী হতে হবে।

এখানে আধুনিক কিছু দেন ধারণা সম্বন্ধে কি আকিদা পোষণ করতে হবে সে সম্পর্কে
আলোচনা করা হয়েছে।

**আধুনিককালের নব্য শিক্ষিতদের কেউ কেউ মনে করেন যে কেবল ইসলামই নয় হিন্দু, খ্রিস্টান, ইহুদী,নির্বিশেষে যে কোন ধর্ম থেকেই মানবসেবা, পরোপকার প্রভৃতি
জনকল্যাণমূলক কাজ করলে পরকালে মুক্তি হবে। এরূপ বিশ্বাস করা কুফরী। একমাত্র ইসলাম ধর্ম অনুসরণের মধ্যেই পরকালীন মুক্তি নিহিত। কুরআনের সূরা আল  ইমরানের ১৯ নং আয়াতে উল্লেখ রয়েছে,”আল্লাহর কাছে একমাত্র মনোনীত ধর্ম হলো ইসলাম”।

**ধর্মনিরপেক্ষতা এর অর্থ যদি হয় কোন ধর্মে না থাকা, কোন ধর্মের পক্ষ অবলম্বন
না করা,কোন ধর্মকে সমর্থন দিতে না পারা,তাহলে এটা কুফুরী মতবাদ।  কেননা ইসলাম ধর্মে থাকতেই হবে, ইসলামের পক্ষ অবলম্বন করতেই হবে, ইসলামী কার্যক্রমকে সমর্থন দিতেই হবে।

আর যদি ধর্ম নিরপেক্ষতার অর্থ হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা তাহলে সে ধারণা ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাসের পরিপন্থী। কেননা ইসলামী আকীদা বিশ্বাস অনুযায়ী, ক্ষমতা ও সামর্থ্য থাকলে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা ফরজ আর কোন ফরজ কে অস্বীকার করা কুফুরী। আর যদি ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ শুধু এতোটুকু হয় যে সকল ধর্মাবলম্বী লোক নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে,জোরজবরদস্তি
করে অন্য ধর্মে প্রবেশ করানো যাবে না, তাহলে এতোটুকু ধারণা ইসলাম পরিপন্থী হবে না।

**ডারউইনের বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করা কুফরী। অর্থাৎ একথা বিশ্বাস করা যে, বিবর্তন অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন হতে হতে একপর্যায়ে বানর থেকে মানুষ সৃষ্টি
হয়েছে। এরূপ বিশ্বাস ইসলাম ও ঈমান পরিপন্থী।

**ইসলাম মসজিদের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকবে, ইসলাম ব্যক্তিগত ব্যাপার, ব্যক্তিগত জীবনে এটাকে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে, সমাজ বা রাষ্ট্রীয় জীবনে এটাকে টেনে আনা যাবে না- এরূপ বিশ্বাস করা কুফরী। কেননা এভাবে ইসলামের ব্যাপকতাকে  অস্বীকার করা হয়।

ইসলামী আকীদা বিশ্বাস অনুযায়ী কুরআন- হাদিসে তথা  ইসলাম ধর্মে মানুষের ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও  আন্তর্জাতিক জীবনের যাবতীয়
ক্ষেত্রের সকল বিষয়ে সুন্দর ও যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা রয়েছ।

**নামাজ,রোজা,হজ,জাকাত,পর্দা করা ইত্যাদি ফর সমূহকে ফরজ তথা  অত্যাবশ্যকীয় জরুরী মনে না করা এবং গান-বাদ্য সুদ-ঘুষ ইত্যাদি হারামকে হারাম মনে না করা ও এগুলোকে মৌলভীদের বাড়াবাড়ি বলে আখ্যায়িত করা সম্পূর্ণ কুফুরি।  কেননা কোন ফরজকে ফরজ বলে স্বীকার না করা  বা কোন হারামকে জায়েজ মনে করা কুফুরী।

**টুপি, দাড়ি,পাগড়ী,মসজিদ-মাদ্রাসা,আলেম মৌলভী ইত্যাদি কে তুচ্ছ জ্ঞান করা এগুলো কেহে দৃষ্টিতে দেখা এগুলো নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করা মারাত্মক গুমরাহী ইসলামের কোন বিষয়ে যত সামান্যই হোক তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়।

**জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস মানা, জনগণকে আইনের উৎস মানা ঈমান পরিপন্থী। কেননা ইসলামী আকীদা বিশ্বাসে আল্লাহকেই সর্বময় ক্ষমতার উৎস অস্বীকার করা হয় এবং বিধান দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহরই।

**প্রচলিত গণতন্ত্রে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস এবং জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কে আইনের অথরিটি বলে স্বীকার করা হয়। তাই প্রচলিত গণতন্ত্রের ধারণা ঈমান-আকিদা পরিপন্থী।

**গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদির তন্ত্র-মন্ত্রকে মুক্তির পথ মনে করা এবং একথা
বলা যে, ইসলাম সেকেলে মতবাদ-এর দ্বারা বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষের এই যুগে অগ্রগতি সম্ভব নয়। এটা সম্পুর্ণ কুফুরি।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews