1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২০ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
সেনা সরিয়ে দখলদারিত্বের অবসান ঘটান : তুরস্ককে সিরিয়া গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

মানুষের কল্যাণের জন্য আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন : শেখ হাসিনা

  • প্রকাশকাল : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৪ পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা থেকে তাঁর জীবন রক্ষা পাওয়া প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য আল্লাহ হয়তো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।’

তিনি গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ১৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ফিরে দেখা : ভয়াল ২১ আগস্ট’ শীর্ষক একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।
প্রশ্ন : প্রধানমন্ত্রী, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আপনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে এক ডজনেরও বেশি গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয় এবং এই হামলায় আপনি প্রাণে রক্ষা পেলেও দলের ২২ নেতাকর্মী সেদিন নিহত হন, আহত হন প্রায় ৫০০ মানুষ। এ সম্পর্কে আপনার অনুভূতি ব্যক্ত করুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেখুন, বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে একটি সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়েছিল, সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। তখন বাংলা ভাই সৃষ্টি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বোমা হামলা প্রভৃতি ঘটনা ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চলতে থাকে। যখন সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গ্রেনেড হামলা করা হয় এবং সেই হামলায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার আহত হন এবং তিন-চারজন লোক মৃত্যুবরণ করেন, তখন এই হামলা বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি খুব খারাপভাবে নষ্ট করে। তখনই আমরা সন্ত্রাসবিরোধী একটি র‌্যালি করার সিদ্ধান্ত নিই এবং যখন সেই র‌্যালি আমরা করতে চেয়েছিলাম রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে; কিন্তু আমাদের অনুমতি দেওয়া হয় নাই। পরে আমরা প্রস্তুতি নিলাম—ঠিক আছে, আওয়ামী লীগ অফিসের সামনেই করব। হঠাৎ তার আগের দিন রাত সাড়ে ১১টায় তারা আবার পারমিশন দেয়। কিন্তু তখন আমাদের মাইক লাগানো হয়ে গেছে, প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন, কাজেই সেখানেই আমরা আমাদের সমাবেশটা করি।’

তিনি বলেন, ‘আমি যাই এবং বক্তব্য রাখি এবং বক্তব্য রেখে মাইকটাও হাত থেকে রাখতে পারিনি; এরই মধ্যে বোমার আওয়াজ। শব্দ শুনেই আমাদের নেতাকর্মীরা আমাকে ধরে বসিয়ে দেয়। বিশেষ করে হানিফ ভাইয়ের কথা আমি বলব (সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ); মামুন, আমার সঙ্গে কাজ করত, নজীব—সে ছুটে আসে, মায়া তখন ট্রাকের ভেতরেই ছিল। ট্রাকের ভেতরেই সবাই আমাকে একদম ঘিরে রাখে। প্রথমে তিনটি, তার পরে তিনটি—এভাবে এক ডজনের কাছাকাছি গ্রেনেড তারা ছুড়ে মারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তখন সত্যি কথা বলতে কী, নিজের কথা চিন্তার চেয়েও বেশি চিন্তা হচ্ছিল—এতগুলো মানুষ আমরা ট্রাকের ওপরে, তারপর চারদিকে আমাদের নেতাকর্মীরা সবাই। সে সময় কার যে কী অবস্থা কিছুই বুঝতে পারছি না। একটা পর্যায়ে যখন গ্রেনেড হামলা একটু থামল, তখন দেখলাম সিটি মেয়র হানিফ ভাই, যিনি আমাকে ঘিরে রেখেছিলেন, সমস্ত স্প্লিন্টার তাঁর মাথা ও গায়ে পড়েছে এবং ওই রক্ত আমার কাপড়ে চলে আসে। সবাই ভেবেছে আমি বোধ হয় আহত, তাই আমাকে ধরে ওঠাতে গেল; আমি বললাম, না, আমার কিছু হয়নি। এটা আমার কাছে একটা বিস্ময় যে আমার গায়ে একটাও স্প্লিন্টার লাগেনি। কিন্তু আমার চশমা হারিয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘সেখান থেকে আমার গাড়িতে ঠিক যখন উঠতে যাব, আমার গাড়ির দরজাটা খুলে দাঁড়িয়ে ছিল আমার সাথেই একজন সেনা কর্মকর্তা মাহবুব, ও ছিল আমার ড্রাইভার-কাম-সিকিউরিটি। ওরা গেটটা খুলে দাঁড়ায় আর ঠিক সে সময় সেখানে একটা গুলিও চলে আসে এবং মাহবুব গুলিবিদ্ধ হয়ে সেখানেই মারা যায়।’

প্রশ্ন : এই নৃশংস হামলা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। যেভাবে এর ছক কষা হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে পুরো আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে ধ্বংস করার জন্য এই হামলা করা হয়েছিল। এর কারণ কী?

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সংগঠনটাকে গড়ে তুলেছিলেন এবং এই সংগঠন করার জন্য তিনি মন্ত্রিত্ব পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি পাকিস্তান হওয়ার পরেই যেটা উপলব্ধি করেছিলেন—বাঙালির জন্য একটি রাষ্ট্র দরকার, বাঙালি জাতি হিসেবে একটি স্বতন্ত্র আত্মপরিচয় দরকার। যখনই জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণাটা দিলেন, তাঁকে কিন্তু গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হলো। কাজেই তাঁকে হত্যার একটা চেষ্টা তো বহুদিন থেকে ছিল। তার কারণ হচ্ছে—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া, আওয়ামী লীগকে নিয়েই তিনি বাংলাদেশের মানুষকে সংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ করেছেন, প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে বিজয় অর্জন করেছেন।’

প্রশ্ন : বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং হামলা-পরবর্তী তাদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অমানবিক; বিশেষ করে তখনকার সরকারপ্রধান খালেদা জিয়ার কথাবার্তা, আলামত নষ্ট করা, তদন্তের নামে প্রহসন, জজ মিয়া নাটক ইত্যাদি; তাদের এই আচরণকে আপনি কিভাবে আখ্যায়িত করবেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলব, খালেদা জিয়ার এক-একটা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কিন্তু মেসেজ যায়। সে যখন বক্তৃতা দিল আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও কোনো দিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এই ২১ আগস্টের আগে তার বক্তৃতা—শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, বিরোধী দলের নেতাও কোনো দিন হতে পারবে না। এই যে বক্তব্য তার মধ্য থেকেই তো বোঝা যায়, তাদের উদ্দেশ্যটা কী ছিল। আর এর সঙ্গে যে সরকারের সব জড়িত ছিল, তা তো খুব স্পষ্ট। তার (খালেদা জিয়ার) ক্যাবিনেটের মন্ত্রী সালাম-পিন্টু সে এর সঙ্গে জড়িত, তখনকার ডিজিএফআই, এনএস আইয়ের কর্মকর্তারা, পুলিশের কর্মকর্তা—তাদের নিয়েই কিন্তু এই চক্রান্তটা করে এবং সব থেকে বড় কথা হচ্ছে তারেক রহমান। সে এই চক্রান্তটা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করেছে এবং কার্যকরে সব থেকে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। খালেদা জিয়া তো নিশ্চয়ই তার পেছনে ছিল এবং তাকে সমর্থন দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আমি একটা কথা বলে রাখি, এই ঘটনার আগে তারেক জিয়া কিন্তু ৫ নম্বর রোডে (ধানমণ্ডি) তার শ্বশুরের যে বাড়ি সেখানে অনেক দিন ধরে অবস্থান করেছে, কয়েক মাস। আবার ঠিক ২১ আগস্টের আগে সে আবার ওই বাড়ি ছেড়ে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে চলে যায়। তখন আমার কাছে খবর ছিল, এ বাসায় বসে সে একটা কিছু ঘোঁট পাকাচ্ছে।’

প্রশ্ন : ওই দিন যদি আপনাকে হত্যার মিশন সফল হতো, তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা হতো আফগানিস্তানের মতো; মৌলবাদীরা এ দেশ দখল করত। বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলার স্বপ্ন অধরাই থেকে যেত, আপনার অভিমত কী?

শেখ হাসিনা বলেন, সবাই এটা বিশ্বাস করে। কারণ ওই সময় খালেদা জিয়ার আমলেই যেভাবে সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীতে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে বাংলাভাই মিছিল করেছে আর পুলিশ তাদের পাহারা দিচ্ছে, আর বিএনপি নেতারা এদের মদদ দিচ্ছে। নাটোর ও রাজশাহীর বিএনপির বহু নেতা প্রকাশ্যে এদের মদদ দানকারী। পরবর্তী সময়ে জঙ্গিবাদ যেভাবে বিস্তার লাভ করে কিবরিয়া সাহেবের জনসভায় গ্রেনেড হামলা করে তাঁকে হত্যা করা হলো। সুরঞ্জিত সেনের মিটিংয়ে বোমা হামলা হলো, সিলেটে কামরানের মিটিংয়ে আরেকবার বোমা, গ্রেনেড হামলা হলো, শুধু তা-ই নয়, এভাবে সারা বাংলাদেশে চলছিল। ১৭ আগস্ট একটা দিনে সারা বাংলাদেশের ৫০০ জয়গায় বোমা হামলা হলো। আমাদের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬৩টি জেলায় কিন্তু বোমা হামলা হয়েছে এবং ঢাকা সিটিতে ৩৫ জায়গায় বোমা হামলা হয়। সে সময় আমি টুঙ্গিপাড়া। ঠিক ১১টার দিকে আমি একটা ফোন পেলাম, দিনাজপুর থেকে আমাদের এক কর্মী ফোন করেছে, আপা আমাদের এখানে বোমা হামলা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আরো কয়েকটা জেলা থেকে বারবার ফোন আসছিল। এমনকি গোপালগঞ্জ জেলা থেকেও ফোন আসছিল, সেখানেও বোমা হামলা হয়েছে। এ কথা শোনার পরই যদিও দুপুরের পরই রওনা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু আমি সঙ্গে সঙ্গেই রওনা হয়ে গেলাম। আমি ঢাকায় চলে আসলাম। আপনাদের একটা জিনিস আমি লক্ষ করতে বলি।

একমাত্র মুন্সীগঞ্জে তখনো কিন্তু বোমা হামলাটা হয় নাই। আমার কিন্তু মুন্সীগঞ্জ থেকেই আসার কথা ছিল। তবে আমি এসেছিলামও মুন্সীগঞ্জ দিয়ে এটা ঠিক; কিন্তু ওরা সময়টা হিসাব করতে পারে নাই। কারণ আমার রওনা হওয়ার কথা টুঙ্গিপাড়া থেকে বিকেল ৩টা থেকে ৪টার দিকে এবং আমি মুন্সীগঞ্জ পৌঁছাতে বিকেল ৫টা থেকে ৬টা বাজবে। কিন্তু আমি রওনা হয়ে গিয়েছি ১১টায়। ওই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি সাড়ে ১১টার মধ্যে রওনা হয়ে গিয়েছি। আমাকে অনেকে ফোনে মানা করেছে যে ঢাকার সব জায়গায় বোমা। কোথায় যে বোমা পড়বে ঠিক নাই। আপনি এই সময় মুভ করবেন না, আপনি থাকেন। আমি বলি, এই সময় আমাকে ঢাকায় যেতেই হবে। আমাকে থাকতেই হবে ঢাকায়। কারণ এতগুলো জেলা থেকে খবর আসছে, একটার পর একটা ফোন আসছে সব জেলা থেকে। এই সময় তো আমাকে ঢাকায় থাকতেই হবে। ঢাকায় না থাকলে তো আমি কিছু করতে পারব না। আমি সরাসরি রওনা হয়ে চলে আসি। ওটাও যদি কেউ একটু চিন্তা করে যে সব জেলায় হলো, ওখানে হলো না। কারণ নিশ্চয়ই তাদের ওটা একটা প্ল্যান ছিল যে আমি যখন আসব, পার হব তখন ওখানেই হবে, মারবে বা কিছু করবে। কারণ আমার যে সময় ফেরি ধরার কথা, আমার জন্য তো ফেরি স্পেশাল থাকল, ওটার একটা হিসাব তাদের ছিল। কিন্তু আমি তার আগেই চলে এসেছি। নরমাল যেই রাস্তা দিয়ে আসি, সেভাবে না এসে আমি সোজা বিডিআরের ভেতর দিয়ে ঢুকে আমি সুধা সদনে ঢুকি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যার সঙ্গে যে জিয়াউর রহমান জড়িত এবং তাঁর স্ত্রী যে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলেছে এবং ছেলেকেও সেই একই পথে নামিয়েছে, এটা তো স্পষ্ট।

প্রশ্ন : আজকে ২১ আগস্টের এই বিয়োগান্তক দিনে দেশবাসীর উদ্দেশে কিছু বলুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা : দেশবাসীকে এটাই বলব, আমি যে বেঁচে আছি, ব্যাস এটাই সত্য। আর যতক্ষণ বেঁচে আছি দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাব। কারণ আমি তো দেশের মানুষের কাছে ওয়াদা দিয়েছি, যেভাবে এই বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমার বাবা-মা জীবন দিয়ে গেছেন, এ দেশের মানুষের জন্য আমিও সেভাবে আমার জীবন দিতেও সব সময় প্রস্তুত।

কাজেই, সে ক্ষেত্রে দেশবাসীর সহযোগিতা চাই, দোয়া চাই এবং সবাই ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন, সেটাই আমি চাই। সূত্র : বাসস।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews