1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২২ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৯ নেতাকর্মী আটক

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

মানবতার গল্প : একজন ডক্টরের ইতিকথা

  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ২১৮ পঠিত

আতিকুল্লাহ খান

১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ডঃ আসাদুল্লাহ সাহেব সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। তিনি ঢাকা মেডিকেলে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছিলেন। ডক্টর আসাদ সাহেব পুরানা পল্টন এর স্থায়ী বাসিন্দা পল্টন টাওয়ারের ২০০ মিটার পশ্চিমে আট তলা ভবনটি তার।

ভবনটির তৃতীয় তলায় পরিবারসহ থাকেন তিনি শৈশব থেকে নম্র-ভদ্র এবং শান্ত প্রকৃতির মানুষ। যতটুকু পারেন মানুষের উপকার করেন কারো ক্ষতি করেন না নিয়মিত নামাজ পড়েন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম মেনে চলার চেষ্টা করেন। অবসর নেওয়ার পর এখন একটি প্রাইভেট হাসপাতালে বসেন গরিব-দুঃখী এবং ওষুধের কে যথেষ্ট ছাড়ে সেবা দিয়ে থাকেন।

ডঃ সাহেবের ছেলেমেয়েরা শিক্ষার পাশাপাশি ভদ্র সভ্য ও নমনীয় হয়েছে তাই অবসর সময় শান্তিতে কাটছে কিন্তু কয়েকদিন হল একটা বিষয়ে তিনি খুব পেরেশান হচ্ছেন। বাসা থেকে বের হলেই দেখতে পান রাস্তাঘাটে বিভিন্ন কর্মস্থলে ছোট ছোট বাচ্চারা পরিশ্রমের কাজ করছে।


কয়েকটি ছেলের সঙ্গে কথা বলে প্রতিভাবান বলে মনে হয়েছে তাদের শিক্ষা-দীক্ষা ও সহযোগিতার কথা প্রায়ই ভাবেন।ডক্টর সাহেবের ইচ্ছা কয়েকজন প্রতিভাবান শিশুকে সর্বপ্রকার সহযোগিতা করবেন।

একদিন ডক্টর সাহেব রাতে ঘুমানোর আগে বারান্দায় চেয়ারে নিয়ে বসেছেন। বাসার অদূরে বস্তির মত কয়েকটি কুঁড়েঘর আছে সেদিকে দৃষ্টি যেতেই তিনি বিস্মিত হলেন। বস্তির পাশে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে বানানো একটি জীর্ণ-শীর্ণ ঘর একপাশে এখনো
খালি বারান্দা থেকে আবছা আবছা দেখা যাচ্ছে ভেতরে একটি প্রদীপ জ্বলছে তার পাশে একজন মহিলা দুইজন বাচ্চাকে পড়াচ্ছেন। ডক্টর সাহেব কৌতূহল নিয়ে সে দিকে গেলেন ঘরের পাশে যে মৃদুস্বরে ডাক দিলেন ভিতরে কে আছে বাহিরে আসুন।

১২ বছরের মত একটা ছেলে বাহির বের হয়ে আসাদ সাহেব কে সালাম দিলো। ডক্টর সাহেব সালামের উত্তর দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী করছিলে? সে জবাব দিল, আম্মুর কাছে কুরআন শিক্ষা করছিলাম। ডক্টর সাহেব ছেলের ভদ্রতায় মুগ্ধ হলেন আর কথা শুনে মেধাবী মনে হচ্ছে। তাই ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা
কোথায় থেকে আসছ তোমাদের পরিচয়টা বল।
সে বলল আম্মুর কাছে অনুমতি নিয়ে আসি সে আম্মুর অনুমতি পেয়ে তাদের কষ্ট করে জীবন কাহিনী বলতে শুরু করল।

আমাদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার যমুনা নদীর পাড় ভাঙ্গা চর গ্রামে আমার নাম ইকরাম আমার একটা ছোট বোন আছে আমরা গ্রামে থাকতাম বাড়ির একখণ্ড জমি ছিল আব্বু সেই জমিটুকু চাষ করতেন আর মানুষের জমিতেও কাজ করতেন এই সামান্য
আমাদের  পরিবারের খরচ চলত। মাঝেমধ্যে খাবারের অভাব দেখা দিতো কখনো দিনে এক বেলা কখনো দুই বেলা কখনো না খেয়ে থাকতাম। কিন্তু আমাদের পরিবারে অশান্তি ছিল না কারণ কষ্টকে সবাই তকদিরের ফায়সালা বলে মেনে নিতাম। ছোট বড় কোন বিষয়ে ঝগড়া হতো না অর্থকষ্টে চলছিল আমাদের সুখী পরিবার।

এরই মধ্যে একদিন দুপুরবেলা আব্বু জমির কাছ থেকে এসে তাড়াতাড়ি গোসল করে কিছু না খেয়ে শুয়ে পড়লেন। আম্মু জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে তোমার হঠাৎ করে কি হলো? আব্বু বললেন,

শরীরটা খুব খারাপ লাগছে কেমন যেন অস্বস্তি অনুভব হচ্ছে। ঐদিন শুধু এক গ্লাস পানি খেয়েছেন রাতে প্রচন্ড জ্বর আসলো পরদিন আম্মু মাথায় পানি দিয়ে দিলেন আমি বাজার থেকে কয়েকটি ট্যাবলেট আনলাম কিন্তু কিছুতেই জ্বর কমছিল না। আরো বাড়তে লাগলো ডাক্তারের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করানোর মত টাকা আমাদের ঘরে ছিল না কারো কাছ থেকে টাকা ঋণ নিতে আব্বু মারা করে দিয়েছিলেন হয়তো তিনি বুঝতে পেরেছেন এই অসুস্থ সারবে না এটাই জীবনের শেষ রোগ। দ্বিতীয় দিন রাতে আব্বু একটু অসুস্থতা অনুভব করলেন সেই রাতে আম্মুর সঙ্গে অনেক কথা বললেন মাঝেমধ্যে আম্মুকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুনলাম। আমাদের ছোট একটি ঘর ছিল ঘরে একটা মাত্র চোখে ছিল আমরা ভাই-বোন চুক্তিতে থাকতাম,আব্বু-আম্মু মাটিতে বিছানা পেতে সুইডেন আব্বু অসুস্থ হওয়ার পর আব্বু আম্মু চৌকিতে শুইতেন।


তৃতীয় দিন আব্বুর অসুখ আরো বেড়ে গেল হাত থেকে উঠতে পারছেন না ভালো করে কথা বলতে পারছেন না প্রতিবেশীরা এসে দুঃখ প্রকাশ করল একেক জন একেক রকমের ওষুধের কথা বলে যার যার কাজে চলে গেল। আমার মন সকাল থেকেই খুব খারাপ শুধু কান্না আসছে আব্বু আমাকে এত আদর করতেন হঠাৎ করে এমন অসুস্থ হয়ে পড়লেন মন খারাপ থাকায় আমি স্কুলে যাইনি আব্বু আমাকে কাছে ডাকলেন আমি আব্বুর পাশে শুইলাম। আব্বু আমার
মাথায় হাত বুলিয়ে উপদেশ দিতে শুরু করলেন বাবা কখনো মানুষের হক নষ্ট করবে না


কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না নিজের যতটুকু উপার্জন করতে পারবে তাতেই সন্তুষ্ট থাকবে কারো কাছে কিছু চাইবে না আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে সাহায্য করবেন আর কোন মানুষ দুনিয়ায় থাকতে পারবে না একদিন মৃত্যু হবেই। আমি যদি।দুনিয়া থেকে চলে যাই তাহলে তোমার ছোট বোন এবং তোমার আম্মুকে নিয়ে মিলেমিশে থাকবে কখনো তাদেরকে কষ্ট দিবে না এ কথা বলার সময় আব্বুর কন্ঠ ভারী হয়ে আসছিল আমার চোখ দিয়ে অনর্গল টপটপ করে পানি পড়তে লাগলো।

আমি বললাম আব্বু তুমি চলে গেলে আমরা কিভাবে চলব আমাদের যেকোন পাথেয় নেই আব্বু বললেন আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করেছি তিনি তোমাদেরকে সুখী বানাবেন। তখন গরিব-দুঃখীদের সেবা করবে আমার জন্য দোয়া করবে তোমাদেরকে আল্লাহ তায়ালার কাছে অর্পণ করে যাচ্ছি।
তৃতীয় দিন রাতের শেষভাগে আব্বু দুনিয়ার জগত ত্যাগ করলেন আব্বুর মৃত্যুর পর অভাব আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হলো এই অভাবের সঙ্গে সংগ্রাম করে চলতে থাকলো আমাদের জীবন আম্মু কোন উপায় না পেয়ে মানুষের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতে লাগল
তখনো আমরা ভাই-বোন নিয়মিত স্কুলে যাইতাম।

এভাবে দেড় বছর যাওয়ার পর এক বর্ষাকালে যমুনা নদীর ভাঙ্গনে আমাদের বাড়িটি তলিয়ে গেল তখন আমরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেলাম আমাদের আত্মীয়দের মধ্যে কোন সচ্ছল পরিবার ছিল না যাদের
বাড়িতে আমরা আশ্রয় নিব আম্মুর কাছে কিছু টাকা ছিল তা দিয়ে আমরা ঢাকা আসলাম।


কয়েক জায়গায় চেষ্টা করেও আশ্রয় পাইনি দুই দিন হল এখন এখানে আসলাম আমি হোটেলে কাজ নিয়েছি অনেক বলে অনুনয়-বিনয় করে।দিন শেষে ১০০ টাকা পাই তা দিয়ে আমাদের সংসার চলে আর রাতের বেলা আম্মুর নিকট কুরআন শিখি স্কুলের বইগুলো পড়া সাহেব দীর্ঘ সময় তাদের কষ্টের জীবন কাহিনী শুনে অনেক ব্যথিত হলেন তিনি কয়েক
মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে একরামকে বললেন আজ ঘুমিয়ে যাও আমি আগামীকাল আবার আসব।

ড. সাহেব বাসায় যেয়ে শুয়ে অনেক রাত পর্যন্ত চিন্তা করলেন কিভাবে এই অসহায় পরিবারের সাহায্য করা যায় স্ত্রীর কাছে সমস্ত ঘটনা বলে পরামর্শ চাইলেন অনেক ভাল মহিলা ছিল। সে বলল আগামী মাসে আমাদের নীচতলায় একটা ফ্লাট খালি হবে সে
বাসাটা তাদেরকে দিয়ে দিন আর ৫-৬ দিনের জন্য ৩০০ টাকা দিয়ে আসেন ডঃ সাহেব একরাম দের খাবারের টাকা দিয়ে আসলো। এবং মাস শেষ হওয়ার একদিন পর তাদেরকে বাসায় আসার আমন্ত্রণ করলেন। একরামের আম্মু প্রথমে আসতে চাননি ডক্টর সাহেব বললেন তোমার আম্মু আমাদের বাসায় রান্নার কাজে সহায়তা করবে তোমরা আমাদের সঙ্গে খাবার খাবে আর তোমাদের সমস্ত খরচ আমি দিব।

একরামের আম্মুর কথা শুনে অনেক খুশি হয়ে আল্লাহ তায়ালার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন আমরা বাসায় উঠার পর ডাক্তার সাহেব একরামের আম্মুকে জিজ্ঞেস করলেন আপনার ছেলেমেয়েকে কি পড়ালেখা করাবেন। একরামের আম্মু বলল আমার আশা তারা প্রথমে কুরআনের হাফেজ হবে তারপর এক বছর
ইসলামী প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করবে পরে আপনি যেই বিষয় পড়াতে চান তাই হবে।


ডক্টর সাহেব তার আম্মুর কথা অনুযায়ী ভাই-বোনকে কোরআনের হাফেজ হওয়ার জন্য মাদ্রাসার ভর্তি করিয়ে দিলেন একরাম খুব মেধাবী ছিল তাই দুই বছরে কুরআনের হাফেজ হয়ে গেল এরপর এক বছর ইসলামী জ্ঞান শিখে স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হল
নিচের কাজগুলো আগে পড়েছিল একেক করে একরাম প্রত্যেকের মেধার পরিচয় দিয়ে ডাক্তার হয়ে গেল এর পাঁচ বছর পর তার ছোট বড় ডাক্তার হয়েছে। পড়ালেখার সমস্ত খরচ বহন করেছেন ডক্টর আসার সাহেব একরাম ডাক্তার হওয়ার পর ভালো একটি হাসপাতালে চাকরি পেয়েছে একরাম চাকুরী পাওয়ার পর এক বছর পর ডাক্তার সাহেব দুনিয়া ছেড়ে
চলে গেলেন।

মৃত্যুর আগে তার আট তলা ভবনটি নিজের ছেলে মেয়ে এবং একরামকে বন্টন করে দিয়ে গেলেন এবং সবাই খুশি হয়েছে একরাম কয়েক বছরের মধ্যে ভাল চিকিৎসা করে অনেক সুনাম অর্জন করেছেন যখন সুযোগ পান গ্রামে যে গরিব-দুঃখীদের ফ্রি চিকিৎসা করেন। প্রতিদিন ফজরের আগে ঘুম থেকে উঠে কোরআন তেলাওয়াত করে ডক্টর আসার সাহেবের পৌঁছে দেন ফজরের নামাজের পর ডঃ আশরাফ সাহেবের কবরের পাশে দাঁড়ান তখন তার চোখ থেকে টপটপ। পানি ঝরতে থাকে। দীর্ঘ সময় দোয়া দুরুদ পড়ে বাসায় ফিরেন।

প্রিয় পাঠক দেখুন ডঃ আশরাফ সাহেব মানবতার একটি উত্তম দৃষ্টান্ত দিয়েছেন যার ফলে একটি অসহায় পরিবার সুখী হয়ে গেল দেশের উন্নতি হলো জনগণের কল্যাণ হলো এভাবে যদি আমাদের দেশের সামর্থবান ব্যক্তিগত অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসেন তাহলে আমাদের দেশে পরিণত হবে একথা বাস্তব যে মানুষের টাকা যত বেশি হয়ে থাকে ততআমাদের দেশে প্রতিভাবান অনেক ছেলেমেয়ে রয়েছে যারা অর্থের অভাবে সুশিক্ষা পাচ্ছে না  বেশি অযথা কাজে খরচ হয় অল্প টাকায় যদি অসহায়দের জন্য ব্যয় করা যায় তাহলে তেমন কষ্ট হয় না অপরদিকে গরিবদের অনেক উপকার হয়।


আমাদের দেশে প্রতিভাবান অনেক ছেলেমেয়ে রয়েছে যারা অর্থের অভাবে সুশিক্ষা পাচ্ছে না অন্য বস্ত্র পাচ্ছে না অসহায় হয়ে জীবন- যাপন করছে। আমরা যদি এসকল দরিদ্র অসহায় দেরকে খুঁজে নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াই তাহলে প্রকৃত মানবতার পরিচয় ফুটে ওঠে আর মুসলমান হিসেবে বাচ্চাদেরকে প্রথমে কুরআন এবং ইসলামী প্রাথমিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া এটা জরুরী। এভাবে কুড়ানো ইসলামিক প্রাথমিক জ্ঞান প্রতিটি সন্তানকে দিতে পারলে দেশে অপরাধীদের সংখ্যা কমে যাবে। মা-বাবার অবাধ্য সন্তানের সংখ্যা অনেক কমে যাবে এর দ্বারা আমাদের অভিযোগ শান্তিময় হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করুন সঠিক পথে চলার তৌফিক
দান করুন।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews