1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
সেনা সরিয়ে দখলদারিত্বের অবসান ঘটান : তুরস্ককে সিরিয়া গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

ভারতে চীনা পণ্য বর্জন আদৌ কি সম্ভব ?

  • প্রকাশকাল : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০
  • ১৯০ পঠিত

মিডিয়া ডেস্ক : লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘাতের পর ভারতে চীনা পণ্য বয়কট করার দাবি জোরালো হয়েছে। তবে বাস্তবে সেটা কতটা সম্ভব তা নিয়ে সংশয়ে খোদ ভারতীয় বিশ্লেষকরা।

বিবিসি বাংলা জানায়, সোমবার রাতে চীনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর কলকাতাসহ ভারতের নানা শহরেই চলছে চীন-বিরোধী বিক্ষোভ। উঠেছে চীনা পণ্য বয়কটের দাবি।

ভারতের বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠন এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারাও এবার চীনা পণ্য বিক্রি বন্ধ করবে।

খুচরা পণ্যের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ব্যাপার মন্ডলে’র সাধারণ সম্পাদক ভিপিন বনসাল বলেন, ‘ভারতীয় সৈনিকদের মৃত্যুতে সারা দেশেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে। আমরাও ভারতেরই নাগরিক। তাই এই পরিস্থিতিতে আমরা কেউই চীন থেকে পণ্য আমদানি করে সেদেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করতে রাজি নই। ’

চীন থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বছরে ৭৪০০ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতীয়দের কাছ থেকে এই অর্থ নিয়েই চীন আমাদের সৈন্যদের মারছে সীমান্তে, আমাদের জমি দখল করে নিচ্ছে। এটা হতে দেওয়া যায় না। ’

এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘আপাতত চীনা পণ্য যা মজুত আছে, সেগুলো বিক্রি করে দেওয়া হবে। কিন্তু নতুন করে কোনো অর্ডার দেওয়া হবে না। এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের খুচরো ব্যবসায়ীদের সংগঠন কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনও চীনা পণ্য না বিক্রি করার একই রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তারা বলছেন, অতি প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি এখনই বন্ধ করা হয়তো যাবে না।

সংগঠনটির সভাপতি সুশীল পোদ্দার জানালেন, ‘যেগুলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য, আর যেগুলো দেশেই তৈরি করা যাবে না, সেগুলো ছাড়া বাকি কোনো চীনা পণ্য বিক্রি করব না আমরা। ’

তিনি বলেন, ‘সবকিছু তো আমরা একবারে বন্ধ করতে পারব না। তবে দেশে তৈরি হতে পারে, এমন জিনিস আমরা চীন থেকে আর আনব না। আর শুধু আমরা বিক্রি বন্ধ করলে তো হবে না। ইকমার্স যেসব সাইট আছে, তাদেরও বন্ধ করতে হবে। আমরা এই অনুরোধ জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছি। ’

এই খুচরা ব্যবসায়ীরা ভোগ্যপণ্য, ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য, প্রসাধন সামগ্রী, মোবাইল, খেলনা, টিভি, ফ্রিজ- এ ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসা করেন।

এদিকে ভারতীয় রেল আর রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএলও বলছে, চীনের কয়েকটি নির্দিষ্ট সংস্থার বরাত তারা হয় বাতিল করছে বা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে।

কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বয়লার থেকে শুরু করে ওষুধ শিল্পের অধিকাংশ কাঁচামাল, গাড়ি শিল্প, বা অন্যান্য ভারি শিল্পও চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে বহুলাংশে আর সেই অবস্থার পরিবর্তন করতে চাওয়া বাস্তবিক অসম্ভব, বলছিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপিকা জয়তী ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘চীনা পণ্য মানে কি চীনা খাবারের রেস্তোরাঁ যে বললাম আর বন্ধ হয়ে গেল? নাকি শুধু খেলনা আর মোবাইল! আমাদের দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাড়ি শিল্প, ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, সার, কৃষিযন্ত্র – সবক্ষেত্রেই তো চীনা পণ্য ব্যবহার করা হচ্ছে। ’

অর্থনীতির এই অধ্যাপিকা বলেন, ‘আমরা অনেকদিন ধরেই বলার চেষ্টা করছিলাম যে নানা ক্ষেত্রে, যেমন ওষুধ শিল্পে, একটা দেশের ওপরে বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়া অনুচিত। ’

তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে এ সংক্রান্ত একটা কমিটি তার রিপোর্ট দিয়েছিল। সরকার তো কিছুই করেনি! আগে দেশীয় উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলুক সরকার, দেশীয় শিল্পকে প্রোৎসাহন দিন, যেটা চীন করে থাকে। তারপরে চীন থেকে আমদানি বন্ধ করার কথা বলবেন, না হলে বিষয়টা হাস্যকর হয়ে যাবে। ’

চীনা পণ্য বয়কট করে দেশীয়ভাবেই যাতে পণ্য উৎপাদন করা যায়, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতকে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার কথা বলছেন বার বার।

কিন্তু চীন থেকে যা যা আমদানি করা হয়, ভারতে সেইসব বন্ধ করে দিয়ে দেশীয়ভাবে সবকিছু উৎপাদন করা অসম্ভব বলে মন্তব্য করছিলেন অর্থনৈতিক বিষয়ের বিশ্লেষক কুনাল বোস।

তিনি বলেন, ‘যে ক্যাম্পেইনটা হচ্ছে, সেটাকে উগ্র জাতীয়তাবাদ ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। বললেই যে চীন থেকে আমরা নিজেদের পৃথক করে নিতে পারব, সেটা বোধহয় সম্ভব হবে না। আর চীন যে উন্নত মানের জিনিস, যে দামে দেয়, তা অন্য অনেক দেশই দিতে পারে না। ’

কুনাল বোস বলেন, ‘চীনা পণ্য বয়কট করতে হলে চীনের যে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে গাড়ি থেকে শুরু করে নানা শিল্পে, সেগুলোর কী হবে? ওগুলো বন্ধ করতে গেলে তো ওইসব শিল্প বা পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যাবে। তখন তো কাজ হারাবেন ভারতীয়রাই। ’

যেসব ব্যবসায়ী চীনা পণ্য বিক্রি না করার কথা বলছেন, তারাও এই আশা করছেন না যে সব চীনা পণ্য আমদানি এখনই বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। আর খুব দ্রুত চীনের মতো কম দামে আর উন্নত মানের পণ্য ভারতেই তৈরি করাও যাবে না।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews