1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০১:০১ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

বিজ্ঞাণের ইতিহাসে বিগ ব্যাং

  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০
  • ১০৬ পঠিত

হুসাইন আহমাদ খান

বিগ ব্যাং মানে হলো মহাবিস্ফোরণ বা মহাগর্জন ৷ এটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব ৷ পৃথিবীর বিজ্ঞানীসমাজের বৃহৎ অংশই বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory)কে মেনে নিয়েছেন ৷ ১৯২৭ সালে জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানী জোর্জেস লেমাইটার সর্বপ্রথম এ তত্ত্ব পেশ করেন ৷

বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রায় ১৭.৩ বিলিয়ন বছর পূর্বে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে আমাদের এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি ৷ এখন প্রশ্ন হলো, এতো আগের কোন ঘটনা তারা বুঝলেন কী করে এবং তার প্রমাণই বা দিলেন কোন প্রক্রিয়ায়? এ প্রশ্নের সদুত্তর পেতে হলে আমাদের নজর বুলাতে হবে বিজ্ঞানের ইতিহাসের পাতায় ৷

বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক ৷ এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আমাদের মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথই মহাবিশ্বের একমাত্র গ্যালাক্সি ৷

১৯২০ সাল ৷ মহাকাশে আরো অনেকগুলি গ্যালাক্সির সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা ৷ তারা চাইলেন এগুলোর দূরত্ব নির্ণয় করতে ৷

১৯২৪ সাল ৷ আমেরিকান জ্যোতির্বিদ এডুইন হাবল নক্ষত্রগুলোর মাঝের দূরত্ব মাপতে গিয়ে অদ্ভুদভাবে লক্ষ করলেন সেগুলো স্থির নয়, গতিশীল ৷

গতিশীল যেহেতু তাই তিনি ভাবলেন সেগুলোর গতিবেগ মেপে বের করবেন— কোনটার গতি কতটুকু এবং কোনটা আমাদের দিকে ছুটে আসছে আর কোনটা আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে— এসব ৷ এখানে আরেকটা প্রশ্ন রাখা যেতে পারে, নক্ষত্রগুলোর এই যে গতি, এটা নক্ষত্রগুলো কোথায় পেল? প্রশ্নটা আপাতত দূরে সরিয়ে রেখে আমরা সামনের আগাই ৷

তো ১৯২৯ সালে হাবল প্রমাণ করে দেখালেন যে, ভিন-গ্যালীক্সির ওই নক্ষত্রগুলির অবস্থান যত দূরে, তার দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি ৷

অর্থাৎ মহাবিশ্বের সব নক্ষত্র —সব গ্যালাক্সিও বলা যেতে পারে— আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে ৷ মজার ব্যাপার হলো, সবাই যদি আমাদের থেকে দূরে সরে যায় তাহলে আমরা কি স্থির? না ৷ সুতরাং বলা যেতে পারে, কোনো নক্ষত্র বা গ্যালাক্সিই স্থির নয় ৷ সবাই সবার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে ৷ আর এভাবেই ঘটছে মহাবিশ্বের প্রসারণ!

 

তো এখন আমাদের পূর্বের প্রশ্নে ফিরে যেতে পারি— নক্ষত্রগুলো এই গতি পেল কোত্থেকে? এ প্রশ্নের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো ‘বিগ ব্যাং থিয়োরি’ ৷

তা এভাবে যে, “যদি সব নক্ষত্র তথা গ্যালাক্সি পরস্পর থেকে দূরে সরে যেতে থাকে তবে আদিতে নিশ্চয় এগুলো একত্রে এবং এক বিন্দুতে ছিলো ৷ তার পর সেই বিন্দুর অভ্যন্তরীণ বিপুল তাপ ও চাপের ফলে মহাবিস্ফোরণ ঘটে এবং সেগুলো ছিন্ন ভিন্ন হয়ে মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে ৷

বিস্ফোরণের সময় এগুলো যে গতি প্রাপ্ত হয়েছিল নিউটনীয় গতিবিদ্যার সূত্র মেনে আজো সেই গতিতে চলছে “— হাবলের তত্ত্ব থেকে ১৯৪০ সালে এই তত্ত্ব ব্যক্ত করেন রুশ বিজ্ঞানী জর্জ গ্যামো ও তার শিষ্য রাফল আলফার ৷

এখানেই শেষ নয় ৷ অন্যান্য তত্ত্বের ন্যায় এ তত্ত্বও সমালোচনার শিকার হলো ৷ প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ ফ্রেডেরিক হয়েল গ্যামো-আলফারের তত্ত্বের তীব্র সমালোচনা করে বললেন— ” এই বিস্ফোরণের ধারণা যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে তার ছাইভস্ম কিছু অবশিষ্ট থাকার কথা ৷আমাকে সেই ফসিল এনে দেখাও ৷”

গ্যামো তখন কিছুই এনে দেখাতে পারেননি ৷ তবে তিনি ভবিষ্যতবাণী করে যান— “ভয়ংকর বিস্ফোরণের মাধ্যমে যদি মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে তার নমুনা আজও কিছু অবশিষ্ট থাকার কথা ৷

তিনি হিসাব করে দেখান— সৃষ্টির শুরুতে মহাবিস্ফোরণের সময় যেসব তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বা বর্ণালি সৃষ্টি হয়েছিল, প্রতিনিয়ত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্বের সেইসব বর্ণালির তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে ৷ এই হিসাব অনুযায়ি বর্তমানে তার তাপমাত্রা হওয়া উচিত, পরম শুন্য তাপমাত্রা ( -২৭৩ ডিগ্রি কেলিভেন) থেকে ৫ ডিগ্রি কম ৷”

গ্যামোর এই ভবিষ্যতবাণী অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ১৯৬৪ সালে অর্নো পেনজিয়ার্স ও রবার্ট উইলিয়াম নামে দুই বিজ্ঞানী প্রমাণ করে ফেলেন এবং সেই প্রমাণ সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃতিও লাভ করে। আর এর মধ্য দিয়ে বিগ ব্যাং তত্ত্বও পূর্ণ গ্রহণযোগ্যতা পায় ৷

তথ্যসূত্র: গুগল

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

Deprecated: WP_Query was called with an argument that is deprecated since version 3.1.0! caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5145
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews