1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

পহেলা বৈশাখ : সংস্কৃতি নাকি অপসংস্কৃতি ; ইসলাম কী বলে (১ম পর্ব)

  • প্রকাশকাল : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০
  • ২২৪ পঠিত

সাধারণত প্রতি বছরেই পালিত হয় বাংলা নব বর্ষের প্রথম দিন “পহেলা বৈশাখ”। তবে এ বছর এর ব্যতিক্রম হতে চলছে। বাস্তবে এ “পহেলা বৈশাখ” সংস্কৃতি নাকি সংস্কৃতির নামে বিজাতীয়দের অপসংস্কৃতি ? আর ইসলামই বা কতটুকু সাপোর্ট করে এ সংস্কৃতিকে? পহেলা বৈশাখ নিয়ে পর্ব আকারে বিস্তারিত লিখেছেন জার্নালিস্ট শিহাব আল শাহী।

শিহাব আল শাহী

পহেলা বৈশাখ এর প্রবর্তক :

মোঘল সম্রাট আকবর। তিনি ছিলেন ভারত বর্ষের একজন সফল শাসক । সর্বপ্রথম পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তিনিই চালু করেন। বিভিন্ন ধর্মের সংমিশ্রণে আকবর “দ্বীন-ই-ইলাহী” নামে একটি নতুন ধর্ম চালু করেন । যেখানে হিন্দুদের ধর্মীয় নীতিকে প্রাধান্য দেয়া হত। সম্রাট আকবরকে সিজদা করা বাধ্যতামূলক ছিল।

পহেলা বৈশাখের ইতিহাসঃ

ভারতবর্ষে মোঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরী সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল
হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত। খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মোঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন।

তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের
১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি
সন, পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।

আরেকটা কারণঃ-

আকবরের শাসনামলে আকবর প্রাথমিক অবস্থায় একজন ধর্মপ্রান মুসলিম ছিলেন। কিন্তু কালক্রমে হারেমের অভ্যন্তরের রাজপুত এবং হিন্দু রানীদের প্ররোচনা এবং তৎকালিন হিন্দুদের আবেদনে ও সে এক বিকল্প সন খুঁজছিল। হিন্দুদের অভিযোগ ছিল, যেহেতু হিজরী সন অনুসারে রাস্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে সেহেতু তাদের পূজা আর্ছ্বনায় সমস্যা হচ্ছে।

আনন্দনাথ রায়ও ঠিক এমনটাই
বলেছিল –
‘”আকবর বাদশাহর রাজত্বকালে হিন্দু সম্প্রদায় বাদশাহের কাছে আরজ করে, আমাদের ধর্মকর্ম সম্পর্কীয় অনুষ্ঠানে হিজরি সন ব্যবহার করতে ইচ্ছা করে না। আপনি আমাদের জন্য পৃথক সন নির্দিষ্ট করে দিন। আকবর হিন্দু প্রজার মনোরঞ্জনার্থে হিজরী সন
থেকে দশ-এগার বছর কমিয়ে এলাহি সন নামে একটি সনের প্রচলন করেন। যা আমাদের বঙ্গদেশের সন বলে চলে আসছে।'”

আনন্দ রায়ের কথা থেকে বোঝা যাচ্ছে হিন্দুদের পূজা এবং আকবরের আর্থিক উপকার তথা ব্যাবসায়িক চিন্তা ভাবনার জন্যই এই বাংলা সনের উৎপত্তি। সুতরাং এটা কিভাবে বাঙ্গালীর হাজার বছরের প্রানের
উৎসব হয় ?

পহেলা বৈশাখ মূলত কাদের উৎসব?

ঐতিহাসিকদের মতে, পহেলা বৈশাখ উৎসবটি ঐতিহ্যগত হিন্দু নববর্ষ উৎসবের সাথে সম্পর্কিত যা Vaisakhi (বৈশাখী ) ও অন্য নামে পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে একই দিনে এই উৎসব পালিত হয়। এই Vaisakhi-কে Baisakhi উচ্চারণও করা হয়। হিন্দু ও শিখগণ এই উৎসব পালন করে।

ভারতের পূর্বাঞ্চল ও উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নববর্ষের উৎসবগুলো হিন্দু বিক্রমী দিনপঞ্জির সাথে সম্পর্কিত। ভারতের গ্রামীণ বাঙ্গালি সম্প্রদায়ে ভারতের অনেক অঞ্চল ও নেপালের মত বিক্রমাদিত্যকে বাংলা দিনপঞ্জির আবির্ভাবের স্বীকৃতি দেয়া হয়। কিন্তু সেই অঞ্চলগুলোর মত বাংলায় বঙ্গাব্দের সূচনা ৫৭ খ্রিস্টপূর্বে হয়নি, বরং ৫৯৩ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয়েছিল, যা নির্দেশ করছে বঙ্গাব্দের সূচনা প্রমাণ সময়কে কোন একসময় পরিবর্তিত করা হয়েছে। মনে করা হয় শশাঙ্কের শাসনামলেই এই পরিবর্তন হয়।

আবারো একটু তারিখ নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় আসিঃ-
সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরল, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হত।

এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, এক সময় এমনটি ছিল না। তখন নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ আর্তব উৎসব তথা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ, কারণ প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত।

আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওযা যায়। পরবর্তীকালে ১৯৬৭ সনের পূর্বে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয় নি।

তাদের দিনপঞ্জিটি হিন্দু দিনপঞ্জি ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত এবং বিভিন্ন বাঙ্গালি হিন্দু উৎসবের দিন নির্ধারণে সেটি ব্যবহৃত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের বাঙ্গালিদের জন্য প্রতি বছর ১৪ বা ১৫ এপ্রিলে এই উৎসব হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৬৬ সালে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর নেতৃত্বে গঠিত হওয়া ১৯৬৬ সালের একটি কমিটিতে পুরনো বাংলা দিনপঞ্জিকে সংশোধিত করা হয়। এখানে প্রথম পাঁচ মাসকে ৩১ দিন, আর বাকি মাসগুলোকে ৩০ দিন বানানো হয়। প্রতি অধিবর্ষে ফাল্গুন মাসে ৩১ দিন ধার্য করা হয়।১৯৮৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে এই দিনপঞ্জি গ্রহণ করা হয়। এরপর, জাতীয় দিনপঞ্জির সূচনা ও প্রতি বছর নববর্ষ ১৪ এপ্রিলেই হয়ে থাকে।১৪২৬ বঙ্গাব্দে দ্বিতীয়বারের মত সংশোধনী আনা হয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির সঙ্গে বাংলা বর্ষপঞ্জির বিশেষ দিনগুলোর সমন্বয় আনতে বাংলা একাডেমি এই পরিবর্তন আনে।নতুন বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন—এই ছয় মাস ৩১ দিনে হবে। ফাল্গুন মাস ছাড়া অন্য পাঁচ মাস ৩০ দিনে পালন করা হবে। ফাল্গুন মাস হবে ২৯ দিনের, কেবল অধিবর্ষের বছর ফাল্গুন মাস ৩০ দিনের হবে।

আসুন এখন মুসলিমদেরকে কিছু বলিঃ-

ধ্যাৎ, করোনস ভাইরাস এসে সব আনন্দ মাটি করে দিল। লাল-সাদা শাড়ি পড়া, নেচে-গেয়ে, বাদ্য বাজিয়ে, মুখে উল্কি এঁকা, ইলিশ-পান্তা খাওয়া কিছুই হবেনা এবার। খুব রাগ হচ্ছে তাইনা? বটমূলে অনুষ্ঠিত হবেনা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর মনমাতানো অনুষ্ঠান, ঢাকার পথে পথে বসবেনা চৈত্রসংক্রান্তির মেলা, প্রতিবার তো ঢাকার রাজপথে চারুকলা ইন্সটিটিউটের মঙ্গল শোভাযাত্রায় বৈশাখের ভ্যাঁপসা গরমকে উপেক্ষা করে ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই সমাগম হবে লক্ষ লক্ষ মানুষের, আত্মপরিচয় বিস্মৃত মুসলিম জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে ছেলে-বুড়ো সকলেই সম্মোহিত মানুষের মতো ছুটবে বৈশাখী উৎসবে যোগ দিতে, মেতে উঠত উৎসবের আমেজে। কিন্তু আফসোস! আল্লাহর এক কঠিন গজব পতিত হয়েছে সারা বিশ্বময়।

বস্তুত: বাংলা নববর্ষ পালন এবং এদিনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত উৎসব, আয়োজন ও অনুষ্ঠান এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন তোলাই যেন এ সমাজে চুড়ান্ত মাত্রার এক পশ্চাদপদতা। এ দেশের সভ্যসভ্য, প্রগতিশীল আর সংস্কৃতিমনা মানুষেরা গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়ে কোন প্রশ্ন ছাড়া পহেলা বৈশাখ পালন করবে এটাই এখন স্বাভাবিক। এছাড়া, এদেশের তথাকথিত সুশীল সমাজের দাবী অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ নাকি এদেশের ৯০ ভাগ মানুষের উৎসব ঈদকেও ছাড়িয়ে গেছে। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি হল, ঈদ মুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব, যা সাম্প্রদায়িক। আর, পহেলা বৈশাখ হল এদেশের সকল মানুষের প্রাণের উৎসব, যা কিনা অসাম্প্রদায়িক। ধর্মনিরপেক্ষ সমাজের সুশীলবৃন্দ ধর্মনিরপেক্ষ উৎসবের পক্ষে সাফাই গাইবেন, এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু, এদেশের নব্বই ভাগ মুসলিম যারা এখনও এক আল্লাহ’র অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন এবং নিজেদের মুসলিম বলে দাবীও করেন, তাদের বলবো
তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ সুশীল সমাজ এবং এদেশের পুঁজিবাদী মিডিয়া, যারা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বাণিজ্য করেন, তাদের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে অন্ধ ভাবে পহেলা বৈশাখ পালন না করে, এ উৎসব সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করতে । প্রথমত: সুশীল সমাজের দাবী অনুযায়ী পহেলা বৈশাখের উৎসব কি অসাম্প্রদায়িক?:
ভারতবর্ষে মুঘল শাসনামলে সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে খাজনা আদায় করতো। কিন্তু, হিজরী সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষির ফলনের সাথে মিলত না।

এজন্য সম্রাট আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার্তে
সৌর ক্যালেন্ডারের উপর ভিত্তি করে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। প্রথমে এই সনের নাম ছিল “ফসলি সন”। এভাবেই, বাংলাসন গণণা আরম্ভ হয়। তবে, বর্তমানে যে রকম ঢাকঢোল পিটিয়ে, বাদ্যবাজনা বাজিয়ে বা শোভাযাত্রা করে বৈশাখের প্রথম দিনকে আমন্ত্রন জানানো হয়, পেছনে ফিরে তাকালে আমরা এসব কোনকিছুই দেখতে পাবো না।

বস্তুত আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। আমি কয়েক বছর ধরে পুরান ঢাকায় থাকি। পুরান ঢাকার হিন্দুদেরকে দেখেছি ঝাড়ু হাতে ওঝা সেজে ভূতপ্রেত, অমঙ্গল বা অনিষ্টকে দূর করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় এ উৎসবকে কেন্দ্র করেই পহেলা বৈশাখে চৈত্রসংক্রান্তির মেলা হতো, যা এখনও হয়।


এছাড়া, পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ মঙ্গল
শোভাযাত্রার ধারণাও পুরোপুরি মূর্তিপূজারীদের কুসংস্কারাচ্ছ বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত। কারণ, এ শোভাযাত্রায় অশুভ বা অমঙ্গল সাধনকারী শক্তি থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য হিন্দুদের বিভিন্ন দেবদেবীর বাহনের মূর্তি যেমন: কার্তিকের বাহন ময়ূর, স্বরস্বতীর বাহন হাঁস, লক্ষীর বাহন পেঁচা ইত্যাদি সহ বিভিন্ন রাক্ষস-খোক্ষস ও জীবজন্তুর বিশাল মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা করা হয়।

এছাড়া দিনের প্রথম প্রত্যুষে নতুন সূর্যকে যেভাবে সুরের মূর্ছনায় বরণ করে নেয়া হয়, সেটাও হাজার বছরে পূর্বের সূর্যপূজারী বা প্রকৃতিপূজারী সম্প্রদায়ের অন্ধ অনুকরণ ছাড়া আর কিছুই নয়, যা আধুনিকতা ও সূর্যবন্দনার নামে শয়তান মানুষের কাছে শোভনীয় করেছে। বৈশাখের প্রথম দিনে নতুন সূর্যের কাছে প্রকৃতিপূজারীদের মতোই নিজেদের অমঙ্গল থেকে রক্ষার জন্য সূর্যের নিকট প্রার্থনা করা হয়।

হিন্দু সম্প্রদায় বা মুশরিক জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস বা আচার আচরণের সাথে সরাসরি সর্ম্পকিত উৎসব কিভাবে এদেশের মানুষের প্রাণের ‍উৎসব হতে পারে? নিজেকে মুসলিম দাবী করার পর আমরা কি পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারি?

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে আমরা একটা শ্লোগান খুব বেশী শুনতে পাই, আর তা হল: “ধর্ম যার যার, ‍উৎসব সবার”। অর্থাৎ, আমরা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান যে সম্প্রদায়ের অংশ হই না কেন, উৎসব পালন কালে আমরা সবাই এক। আমাদের বুঝতে হবে যে, “ধর্ম যার যার, ‍উৎসব সবার”- এ শ্লোগানটিই পুঁজিবাদী। এর পরের পোস্টে এ সম্পর্কেও আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews