1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
সেনা সরিয়ে দখলদারিত্বের অবসান ঘটান : তুরস্ককে সিরিয়া গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

ঢাকার হাসপাতালে ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই!

  • প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ৩৯ পঠিত

ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে এখন উপচে পড়া কভিড রোগী। তারা চিকিৎসা পেতে ছুটছে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে। অবস্থা সামাল দিতে এখনই অনেকটা দিশাহারা হয়ে পড়ছে রাজধানীর একেকটি হাসপাতাল। সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিচ্ছে আইসিইউ বেডের ক্ষেত্রে। সরকারি-বেসরকারি মিলে ২২টি হাসপাতালেরই প্রায় সব আইসিইউ বেড রোগীতে পূর্ণ হয়ে গেছে। কয়েকটি হাসপাতালে আইসিইউ বেড খালি আছে মাত্র এক-দুটি করে। নতুন রোগী নেওয়া যাচ্ছে না খালি না হওয়া পর্যন্ত। ফলে করোনা রোগী নিয়ে রাজধানীতে আগের মতোই শুরু হয়ে গেছে ছোটাছুটি।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে জেনারেল বেডও খালি নেই, বরং গতকাল বুধবার অতিরিক্ত ৫০ রোগী ভর্তি ছিল। মাত্র সাত দিন আগেও ঢাকায় যেখানে ৫০ শতাংশের বেশি বেড খালি ছিল, সেগুলো দ্রুত রোগীতে ভরে উঠছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, সামনে পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে আরো পাঁচটি হাসপাতালে কভিড ইউনিট প্রস্তুত করাসহ বাড়তি এক হাজার বেডের একটি অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপনেরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকেও নিজ নিজ দায়িত্বে কভিড রোগীর সেবার ব্যবস্থাপনা বাড়াতে বলা হয়েছে। আজ-কালের মধ্যেই এ কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে অবকাঠামোর চেয়ে আবারও জনবলের সংকটকেই বড় করে দেখা হচ্ছে।

গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ১ জুলাই ঢাকা মহানগরীর ১৬টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত এবং ২৮টি প্রাইভেট হাসপাতালে কভিড ডেডিকেটেড পাঁচ হাজার ৩১৮টি জেনারেল বেডের মধ্যে দুই হাজার ৯১২টি বা ৫৪ শতাংশ খালি এবং বাকি ৪৬ শতাংশে রোগী ছিল। আর ৮২৪টি আইসিইউ বেডের মধ্যে ৪০২টি বা ৪৮ শতাংশ খালি এবং বাকি ৫২ শতাংশে রোগী ছিল।

গতকালের হিসাবে দেখা যায়, সেই চিত্র অনেকটাই উল্টে গিয়ে এখন জেনারেল বেড খালি আছে ৪১ শতাংশ আর রোগীতে ভরে গেছে ৫৯ শতাংশ। আইসিইউ খালি আছে মাত্র ২৬ শতাংশ এবং রোগী আছে ৭৪ শতাংশে। এর মধ্যে শুধু সরকারি হাসপাতালে ১ জুলাই খালি ছিল ৫২ শতাংশ জেনারেল বেড আর ৪২ শতাংশ আইসিইউ বেড। এখন সেখানে খালি আছে ৪২ শতাংশ জেনারেল বেড ও ২২ শতাংশ আইসিইউ বেড। অর্থাৎ ঢাকার সরকারি হাসপাতালের ৭৮ শতাংশ আইসিইউ বেডই রোগীতে ভরে গেছে। প্রাইভেটে ১ জুলাই আইসিইউ ও জেনারেল বেডের উভয় ক্ষেত্রে রোগী ছিল ৪০ শতাংশ করে আর ৬০ শতাংশ খালি ছিল। কিন্তু গতকালের হিসাবে প্রাইভেটেরও ৭০ শতাংশ আইসিইউ ও ৬২ শতাংশ জেনারেল বেডে রোগী ছিল।
ডিএনসিসি হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার এখানে এখন যে রোগী আছে তার ৭০ শতাংশেরই বেশি এসেছে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা থেকে। এ ছাড়া ঢাকার যেসব হাসপাতালে এখন আর রোগীদের ঠাঁই হচ্ছে না, সেখান থেকেও আমার এখানে রোগী পাঠানো হচ্ছে। এভাবে যদি রোগী আসতে থাকে তবে আগামী পাঁচ-সাত দিন পর আমার এখানেও আর ঠাঁই দেওয়া যাবে না। আবার এখানে শুধু জায়গা থাকলেই তো হবে না, জনবলসহ আনুষঙ্গিক আরো অনেক কিছুই দরকার হবে।’

এক দিন আগেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেছেন, হাসপাতালের রোগীর অর্ধেকই আসছে গ্রাম থেকে। তথ্য অনুসারে সরকারি হাসপাতালের মধ্যে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই। শুধু ডিএনসিসি হাসপাতালেই এখনো খসড়া হিসাবে গতকাল ২১২টি আইসিইউ বেডের মধ্যে ৭৫টি খালি ছিল। প্রাইভেটের ২৮টি হাসপাতালের মধ্যে পাঁচটিতে জেনারেল ও আইসিইউ কোনো বেডই খালি নেই। সবগুলোতে কভিড রোগী। এ ছাড়া আরো সাতটির কোনো আইসিইউ বেড খালি নেই।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই খারাপ। আমরা আগে থেকেই সবাইকে সতর্ক করছিলাম। এখন যে ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এটা আর কত দিন চলবে তা কেউ বলতে পারছে না। রোগী যদি কম না রাখা যায় তাহলে শুধু হাসপাতাল বা চিকিৎসা সুবিধা বাড়িয়েই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘তবু আমরা বিদ্যমান হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি এরই মধ্যে ঢাকার আরো কয়েকটি অন্য রোগের বিশেষায়িত হাসপাতালে কভিড ইউনিট চালুর প্রস্তুতি নিতে বলেছি। এর মধ্যে গত বছর কয়েকটিতে কভিড ইউনিট চালু করে পরে তা আবার বন্ধ করা হয়েছিল প্রয়োজন না হওয়ায়। এখন আবার সেগুলোতে রোগী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে জাতীয় অর্থোপেডিকস হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র (নিটোর), চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মিরপুর লালকুঠি, মহানগর হাসপাতাল এবং ডিএনসিসির বাকি অংশ দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে বেডসংখ্যা বাড়িয়ে। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে আরো যাতে এক হাজার বেডের একটি হাসপাতাল দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থাপন করা যায়, সে জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বলা হয়েছে। তাঁরা খুঁজতেও শুরু করেছেন।’

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews