1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
দেশে এই প্রথম প্রতিষ্ঠিত হলো হিজামা বিষয়ক সংগঠন “হিজামা এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ” ৬২ শতাংশ ভোটে জয় পেলেন ‘কট্টরপন্থী’ ইব্রাহিম রাইসি দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধানের দাবি শিগগিরই খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উগ্র ইহুদিবাদীদের পতাকা মিছিল আজ; মসজিদুল আকসায় ফিলিস্তিনিদের সমবেত হওয়ার আহ্বান ভারতে নামাজ পড়তে যাওয়া বৃদ্ধকে মারধর করে দাঁড়ি কেটে দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা! মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা আরো বাড়তে পারে সিরিয়ার হাসপাতালে হামলা, শিশুসহ নিহত ১৮ শিশুর আগামী হোক স্বপ্নময় লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান গাদ্দাফির ছেলে!

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

চার হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পেলেন না ব্যবসায়ী ; অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেলেন!

  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০
  • ১১১ পঠিত

আওয়ার মিডিয়া : চার হাসপাতাল ঘুরেও ভর্তি হতে না পেরে চিকিৎসার অভাবে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেছেন টঙ্গীর বিশিষ্ট এক ব্যবসায়ী। টঙ্গীর পাগাড় এলাকার প্রভাবশালী ফকির পরিবারের ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. মাহতাব উদ্দীন ফকির (৫২)। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি করোনা উপসর্গে ভুগছিলেন।

মৃত মাহতাব ফকির ভাতিজা মোবারক হোসেন ফকির বলেন, ৮-৯ দিন ধরে চাচা তিনি জ¦র-সর্দি, গলাব্যথা ও কাশিতে ভুগছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বুধবার সকালে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেলসহ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরেও করোনা টেস্টের রিপোর্ট না থাকায় ভর্তি করাতে পারেননি। 
পরে ওইদিন দুপুরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে ওই হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন চিকিৎসক। রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসক জানান ‘রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন, আইসিও লাগবে। কিন্তু কুর্মিটোলা হাসপাতালে বেড নেই। অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান’। 

গভীর রাতে হাসপাতাল না পেয়ে চাচাকে টঙ্গীর বাসায় নিয়ে আসেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভোরে অবস্থার আরো অবনতি হলে প্রথমে ঢাকার এপোলো হাসপাতালে নিয়ে যান।

রিসিপশন থেকে প্রথমেই জানতে চায় সাথে করেনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট আছে কিনা। নেই জানালে অসুখের লক্ষণ শুনে রোগেীর মুখ না দেখেই তারা অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।

একইভাবে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট না থাকায় ইউনাইটেড হাসপাতাল ও আবার বাংলাদেশ মেডিকেলে  নিয়ে শত কাকুতি-মিনতি করেও ভর্তি করাতে না পেরে যান উত্তরার শিনজিন হাসপাতালে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্সে রেখে চিকিৎসক রোগীর নাড়ী পরীক্ষা করে জানান তিনি আর বেঁচে নেই। দুপুরে লাশ বাসায় এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5061

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews