1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২০ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৯ নেতাকর্মী আটক

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

চরম অনিশ্চয়তায় ২২ লাখ কওমি শিক্ষার্থী !

  • প্রকাশকাল : বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ১৬১ পঠিত

আওয়ার মিডিয়া : করোনা পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে দেশের কওমি মাদরাসার ২২ লাখ শিক্ষার্থী। আসন্ন ঈদের ছুটি শেষে সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ করে নতুন বছরের ভর্তিসহ শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করতে না পারলে এই শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ জন্য বেফাকসহ হাইআতুল উলয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা বিষয়টি সরকারকে জানাতে শিগগিরই বৈঠকে বসছেন।

কওমি মাদরাসা বোর্ড বেফাকের কেন্দ্রীয় আমেলা ও শূরার সদস্য শেখ যাকারিয়া ইসলামিক রিচার্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, ঈদের পর কওমি মাদরাসাগুলো খুলে দেয়ার বিষয়ে ইতোমধ্যেই বেফাকের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।

পুনরায় বড় আকারে বৈঠক করে সরকারকে অনুরাধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আশা করি শিগগিরই বৈঠকটি হবে।

শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা; ঈদের পর মাদরাসা খুলে দিতে চায় বেফাক

মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, সকল কওমি আলেম একমত যে, শিগগিরই কওমি মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ করে নতুন বছরের ভর্তিসহ শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করা না গেলে চরম বিপর্যয় দেখা দেবে এই শিক্ষাব্যবস্থায়। এ নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী সবাই উদ্বিগ্ন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কওমি মাদরাসার ধারা ও পদ্ধতি প্রচলিত অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের থেকে একেবারেই ভিন্ন। এ মাদরাসাগুলোতে রমজান মাস শুরুর আগেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং পুরো রমজানে মাদরাসাগুলো বন্ধ রাখা হয়। ঈদের পর শাওয়াল মাসের ৭-৮ তারিখের দিকে খুলে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পাশাপাশি নতুন ভর্তি কার্যক্রম ও পাঠ দান শুরু হয়।

কিন্তু এ বছর করোনার কারণে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কওমি মাদরাসাগুলো ছুটি ঘোষণা করে গত মার্চ মাসের শেষের দিকে। এ সময় সর্বোচ্চ শ্রেণী দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষাসহ সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ঈদের পর জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণ করে আগের বছরের কার্যক্রম শেষ করে নতুন ভর্তি শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করতে না পারলে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তা ছাড়া হিফজ মাদরাসাগুলোর ছাত্রদের হিফজের ধারাবাহিকতা না থাকলে তাদের শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে। বাসায় থেকে সেভাবে তাদের শেখা ও চর্চা হওয়া সম্ভব না।

মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, সরকার যেহেতু কোনো কোনো ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করেছে, সেজন্য আমরা বলছি সরকারের সব স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমরা মাদরাসাগুলো খুলতে চাই। আমরা চাইলে শিক্ষার্থীদের হোম কোয়ারেন্টিনের মতো করে রেখে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারব।

আমাদের মাদরাসাগুলো আবাসিক। শিক্ষকরা সেখানে অবস্থান করে সবসময় শিক্ষার্থীদের তালিমের মধ্যেই রাখেন। তাদের ওপর আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কেউ বাইরে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, সরকার আলাদাভাবে কওমি মাদরাসা বন্ধ রাখতে না বললেও পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্মপ্রতিমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, কওমি মাদরাসাগুলো ছুটির আওতায় পড়বে।

আমরা আপত্তি করিনি, ছুটি দিয়ে দিয়েছি। মিরপুর জামেয় কাসেমীয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি আবদুল মালেক বলেন, কওমি মাদরাসা ব্যবস্থায় এমন এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি যে, ঈদের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মাদরাসাগুলো খুলে দেয়া জরুরি। অবস্থা এমন হয়েছে মাদরাসাগুলো নিজের থেকেই খুলে দিয়ে পরীক্ষা ও ভর্তিসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলো শুরু করতে বাধ্য হতে পারে।

এতে কিছুই করার নেই। না হয়, এক বছরের দূরত্ব তৈরি হয়ে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

এ দিকে মঙ্গলবার জামেয়া বারিধারা মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও বেফাক এবং হাইআতুল উলায়ার সহসভাপতি আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, লালবাগ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আতা উল্লাহ হাফেজ্জীসহ ৭২ জন শীর্ষস্থানীয় আলেম ঈদের পর কওমি মাদরাসা খুলে দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

তারা বলেন, দেশের সবচেয়ে বেশি নিয়ম মেনে চলতে অভ্যস্ত ও আনুগত্যশীল কাওমি শিক্ষার্থীদের আরো একটি শিক্ষাবর্ষ কুরআন ও হাদিসের আলো থেকে বঞ্চিত থাকুক এটা কাম্য হতে পারে না। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের ছুটির পর কওমি মাদরাসাগুলো খুলে দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সরকারি হিসাবে দেশে ১৪ হাজার ৩৯৭টি কওমি মাদরাসা রয়েছে।

তবে কওমি সংশ্লিষ্টদের মতে মাদরাসার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ লাখের বেশি হতে পারে। ৬টি পৃথক বোর্ডের অধীনে মাদরাসাগুলো পরিচালিত হয় ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার শিক্ষা কারিকুলাম অনুযায়ী।
স্থানীয়দের সাহায্য অনুমদান ও শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়ে আসছে কওমি মাদরাসাগুলো।

দেওবন্ধের নীতি অনুযায়ী সরকারি অনুদান গ্রহণে বাধা রয়েছে তাদের। ২০১৮ সালে দাওরায়ে হাদিসের সরকারি সনদের স্বীকৃতির আইনের মধ্যে এ বিষয়টি তারা যুক্ত করান। ফলে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ছয় হাজার ৯৫৯টি কওমি মাদরাসার জন্য আট কোটি ৩১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিলেও বেফাকের পক্ষ থেকে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো হয়।

অনেক মাদরাসা তা গ্রহণ করছে না। অন্যান্য বছর রমজানে কওমি মাদরাসাগুলো স্থানীয়ভাবে বেশি সহায়তা পেয়ে আসছিল। কিন্তু এ বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে এই সহায়তাও কম পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্য দিকে পরীক্ষাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চালু না থাকায় শিক্ষকদের বেতন প্রদানসহ মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা বর্তমানে অর্থনৈতিক কষ্টের মধ্যে রয়েছেন।

**নয়াদিগন্ত**

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews