1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
সেনা সরিয়ে দখলদারিত্বের অবসান ঘটান : তুরস্ককে সিরিয়া গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

কেন আমাদের ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতির প্রচলন করা দরকার ?

  • প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০
  • ২০৯ পঠিত

কাউছার হামিদ

একটা সময় ছিলো যখন কাউকে জিজ্ঞাসা করা হতো; শিক্ষার উদ্দেশ্য কী? তুমি কেন পড়াশোনা করো? তখন সহসা জবাব দিতো— “শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো জ্ঞান অর্জন করা; সেই জ্ঞানের আলোয় নিজেকে আলোকিত করা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ সাধন করা। সেজন্যই আমি পড়াশোনা করি।”

কিন্তু এখন যদি কাউকে ঐ প্রশ্ন দু’টোই করা হয়, তবে উত্তর ঐ রকম আর পাওয়া যায় না। এখন প্রায় সবাই বলে, “পড়াশোনার উদ্দেশ্য— অর্থ উপার্জন করা।” আরেকটু স্পষ্ট করে বললে; ভালো একটি সরকারি চাকুরি পাওয়া। পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হবে, দেশ ও দশের সেবায় আত্মনিয়োগ করবে— এমন মানুষ আজ খুবই বিরল!

কেন এমনটি হলো? কেন মানুষ আজ শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে নিজেকে নিয়ে এতো ব্যস্ত হয়ে পড়লো?

এর কারণ অসংখ্য; তবে একটা মূল কারণও রয়েছে! তাহলো— ধর্মহীন বস্তুবাদী শিক্ষা ও শিক্ষানীতির প্রচলন। কেননা, ধর্মহীন বস্তুবাদী শিক্ষা মানুষকে কেবল আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা-ভাবনায়-ই সীমাবদ্ধ রাখে।

এই গণ্ডি থেকে মুক্তি দিতে পারে না। ফলে মানুষের মনে সৃষ্টি হয় লোভ-লালসা এবং পরশ্রীকাতরতা। নিজস্বার্থ হাছিলের জন্য বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধে লিপ্ত হতে সে তখন দ্বিধাবোধও করে না। ফলে সমাজ হয়ে উঠে অনিরাপদ এবং বসবাসের অযোগ্য।

এ থেকে উত্তরণের পথ কী?

পথ হলো—মূল সমস্যাটা সমাধান করা। অর্থাৎ এমন একটি শিক্ষানীতির প্রচলন করা যার কোলে গড়ে উঠবে এমন সব আদর্শবান মানুষ যারা কেবল নিজস্বার্থ নিয়েই চিন্তা করবে না, দেশ ও দশের কথাও মাথায় রাখবে। এবং এমন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও আদর্শ মানবসমাজ উপহার দিবে যেখানে মানুষ মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে মহান আল্লাহর আরাধনায় আত্মনিয়োগ করবে।

আর তা কেবল ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের ফলেই সম্ভব।
বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে আমরা নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিষয়টিই দেখবো যে, ‘কেন আমাদের ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতির প্রচলন করা দরকার।’

প্রথমত,

আমাদের মনে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করার জন্য। এটি দরকার এজন্য যে, আল্লাহর ভয় বা ‘তাকওয়া’ অর্জন না করে, আমরা যত পড়াশোনাই করি আর যত বড় ডিগ্রিই অর্জন করি; সমাজ থেকে অন্যায়-অপরাধ দূর করতে পারবো না। ইসলামী শিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যেই হলো— ‘তাকওয়া’ অর্জন করা। একান্ত গোপনে যখন আমাদের সঙ্গে কেউ থাকে না, কেউ যখন আমাদের ক্রিয়া-কলাপ দেখে না, তখন মনে এই ভয় রাখা যে— মহান আল্লাহ আমার সবকিছু শুনছেন এবং দেখছেন।

‘বিচার-দিবসে’ তাঁরই সামনে আমাদের দণ্ডায়মান হতে হবে এবং সকল কাজের জবাবদিহি করতে হবে। এই ভেবে সমস্ত অন্যায়-অপরাধ থেকে বিরত থাকার নামই হলো ‘তাকওয়া’। এভাবে পরিপূর্ণ ‘তাকওয়াবান’ যদি আমরা হতে পারি তাহলে সমাজে কখনোই অন্যায়-অপরাধ সংগঠিত হবে না, হতে পারে না। তাই আমাদের তাকওয়াবান হতে হবে, আর তা হতে পারলেই কেবল,
১. কোনো ভাইকে আর শুনতে হবে না তার বোনের ধর্ষিত হওয়ার খবর।
২. কোনো মাকে শুনতে হবে না; তার আদরের ছেলেটি মাদকাসক্ত।
৩.কোনো বাবাকে শুনতে হবে না; তার ছেলে চৌর্যবৃত্তি, ডাকাতি কিংবা ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে লিপ্ত।
৪. কোনো সন্তান তার মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে না।
৫. সমাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি থাকবে না।
৬. বিচারকার্যে থাকবে না স্বজনপ্রীতি।
৭. থাকবে না গুম,খুন ও হত্যা।
৮. দূর হবে অশ্লীলতা-বেহায়াপনা
এবং বন্ধ হবে ছোট-বড় সব অন্যায়-অপরাধ যা এই ছোট্ট পরিসরে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।

এই যে ‘তাকওয়াবান’ হওয়ার এত সুফল উপরে উল্লেখ করা হলো, বলা বাহুল্য, এই ‘তাকওয়াবান’ হওয়ার সবক আমরা ইসলামের শিক্ষা থেকেই পাই। কাজেই, আদর্শসমাজ গঠনে ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি প্রচলনের কোনো বিকল্প নেই।

দ্বিতীয়ত,

দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য। দুনিয়ার বিষয়টি তো আমরা জানি যে, একটি সুষ্ঠু-সুন্দর আদর্শ মানবসমাজ গঠন করা। আখিরাতের কল্যাণ হলো, জান্নাতে ‘আল্লাহর মেহমান’ হওয়া। যারা ঈমান ও আমলে এবং ইনসাফ ও আখলাকে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে তারাই তো জান্নাতে আল্লাহর মেহমান হবে। বলা বাহুল্য, ঈমান-আমল, ন্যায়নীতি ও উত্তম আখলাকের শিক্ষা ইসলাম ছাড়া আর কোথায় আছে আর কোথায়ই-বা এতো গুরুত্ব দেয়া হয়েছে ? কোত্থাও নেই! দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের জন্য তাই ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি প্রচলন করা একান্ত জরুরি।

তৃতীয়ত,

স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যের প্রতি হকগুলো কী কী, শিশুদের পারিবারিক শিক্ষানীতি এবং সন্তান প্রতিপালনের সঠিক জ্ঞান আধুনিক শিক্ষার সিলেবাসে নেই বললেই চলে। অথচ এগুলোই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য বেশি দরকার। এ সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় ‘আধুনিক পরিবার’-গুলোতে অর্থ-সম্পদের অঢেল ভাণ্ডার থাকলেও থাকে না স্বামী-স্ত্রী মধ্যে প্রেম ও ভালোবাসার বন্ধন। ফলে অল্পতেই ঘটে বিবাহ-বিচ্ছেদ; ভেঙে যায় সংসার; নষ্ট হয় সন্তানের সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ! তাই ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি প্রচলন করতে হবে, যা সহায়তা করবে,
৯. একটি আদর্শ পরিবার গঠন করতে;
১০. স্বামী-স্ত্রী মধ্যে প্রেম-ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করতে;
১১. সন্তানের সম্ভাবনাময় জীবনের ভিত মজবুত করতে।

অনেকে মনে করেন,
ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি প্রচলন; প্রগতির পথে অন্তরায়। তাদের এ ধারণা নিতান্তই অমূলক। বরং ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি একদিকে যেমন মানুষকে ‘খাঁটি মানুষ’ (তাকওয়াবান) হিসেবে গড়ে তুলে, অন্যদিকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে চলে।

কাজেই আমরা বলতেই পারি,
ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতি আদর্শ সমাজ গঠনের জন্য এমন জরুরি; একটি নবজাতকের জন্য শাল দুধ যেমন জরুরি!

প্রখর রোদ্রতাপে উত্তপ্ত মরুর বুকে হেঁটে চলা তৃষ্ণার্ত পথিকের জন্য এক আঁজলা জল যেমন জরুরি; আদর্শ সমাজ গঠনে বা বিনির্মাণে ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতির প্রচলন করা তারচে’ অধিক জরুরি।

পরিশেষে বলা যায়,
দেশ ও সমাজের কল্যাণের কথা চিন্তা করে, একটি আদর্শ সমাজ গঠনের নিমিত্তে ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষানীতির প্রচলন করা আজ একান্ত অপরিহার্য এবং সময়ের দাবি। এই দাবি অতিসত্বর পূরণ করতে হবে। তবেই শান্তি; তাতেই সমৃদ্ধি।

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

Deprecated: WP_Query was called with an argument that is deprecated since version 3.1.0! caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5495

Deprecated: WP_Query was called with an argument that is deprecated since version 3.1.0! caller_get_posts is deprecated. Use ignore_sticky_posts instead. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5495
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews