1. omsakhawat@gmail.com : admin :
  2. emaad55669@gmail.com : Sakhawat Ullah : Sakhawat Ullah
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪১ অপরাহ্ন
বিঃ দ্রষ্টব্য
★★ স্বাগতম আপনাকে আমাদের সাইটে ভিজিট করার জন্য!চাইলে আপনিও আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারেন!  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন! ★★
শিরোনাম
গভীর রাতে থেমে গেল ট্রেন, রেললাইনে শুয়ে রক্তাক্ত কুমির! সোমালিয়ায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১১ সৌদি বাদশার বিশেষ সহকারীকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন নির্দেশনা ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পূর্বের বইপাঠ ও পর্যালোচনা উৎসব অনুষ্ঠিত গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ‘সংক্রমণ বাড়লে আবারো স্কুল-কলেজ বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হবে’ রাজধানীতে পথকলিদের নিয়ে ইশা ঢাকা মহানগর পূর্বের শিক্ষা আসর ও খাবার বিতরণ কর্মসূচী পালিত বাবু নগরীর পর এবার চলে গেলেন বাংলাদেশের মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী অ্যাসাইনমেন্ট দিতে এসে কলেজের টয়লেটে সন্তান প্রসব, রেখেই পালালো ছাত্রী জামায়াতের সেক্রেটারিসহ ৯ নেতাকর্মী আটক

অর্থনৈতিকভাবে স্ববালম্বী হতে চাকরি বা বিজনেস যেটা আপনার ইচ্ছা বেছে নিন আজই!

ইস্কন : বাংলাদেশ ধ্বংসের এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র

  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৮৬ পঠিত

আব্দুল্লাহ আবু মুহাম্মদ

ইসলামকে পৃথিবী থেকে মিটিয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা হয়েছে তার জন্মলগ্ন থেকেই। কিন্তু একদিনের জন্যও থামেনি ইসলামের কার্যক্রম। বরং বেড়েছে বহুগুন। ছড়িয়ে গেছে নিজ শক্তিতে। ছাড়িয়ে গেছে দিগদিগন্ত। আজ পর্যন্ত ইসলামের বিরোধিতায় কোন কমতি করেনি দুনিয়ার কুফফারশক্তি। ইসলামকে মিটিয়ে পৃথিবীব্যাপী রামরাজ্য তথা হিন্দুত্যবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থাা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হিন্দুদের প্রাণের সংঘটন ইসকন।

কিছুদিন যাবত বিভিন্ন মিডিয়া ও খবরের কাগজে প্রচারিত হচ্ছে নামটি। শুনা যাচ্ছে লোকমূখেও। চরম হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংঘটন। এদের অপরাধমূলক কিছু কর্মকান্ডও প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন খবরে।

মূলত ইসকন কী? এ সংঘটনের কার্যক্রম কী? লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী? কারা বাংলাদেশে এর পিছনে ইন্ধন যোগাচ্ছে? বিষয়গুলো আমাদের সামনে পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন। সচেতন নাগরিক ও মুসলমান হিসেবে এ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ জরুরী। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পূর্বে পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।

উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ:

ইসকন। মুল নাম ইংরেজী। পুরো নাম: “ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস” (ইসকন) বাংলায় “আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ” । সংক্ষেপে “ইসকন” নামে পরিচিত। এটি হিন্দু ধর্মকেন্দ্রিক একটি প্রতিষ্ঠান। যদিও তা হিন্দু ধর্মকেন্দ্রিক, কিন্তু তলে তলে কলকাঠি নাড়ে অভিশপ্ত ইয়াহুদী সম্প্রদায়।
 
১৯৬৬ সালে নিউ ইয়র্ক সিটিতে ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’ এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।  গৌড়ীয় বৈষ্ণবধমের অনুগামী। উক্ত মতটি খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে প্রবর্তিত হয় এবং ১৯৩০-এর দশক থেকে পাশ্চাত্য সমাজে ধর্মান্তরকরণের কাজ শুরু করে। স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণকে তুষ্ট করাই এই প্রতিষ্ঠানের ভক্তদের জীবনের মূল লক্ষ্য বলে বিবেচিত হয়।

২০০৯ সালের হিসেব অনুযায়ী সারা বিশ্বে ইসকনের ৫০০০০ টিরও বেশি মন্দির এবং কেন্দ্র রয়েছে বর্তমানে পূর্ব ইউরোপে (সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর) ও ভারতে এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য :

‘ইসকন বাংলাদেশ’ থেকে প্রকাশিত মাসিক ম্যাগাজিন ‘হরে কৃষ্ণ’ তাদের উদ্দেশ্যে বর্ণনা করেছে। তারা লেখে, “ইসকন একটি ধর্মীয় সংগঠনরূপে আইনসিদ্ধভাবে নিবন্ধিকৃত হয়েছিল ১৯৬৬ সালের জুলাইয়ে, নিউইয়র্কে। শ্রীল প্রভুপাদকে তখন ধর্মটির বর্ণনা করার জন্য কিছু সনদ তৈরি করতে হয়েছিল এবং সেই সনদে শ্রীল প্রভুপাদ ইস্কন প্রতিষ্ঠার সাতটি উদ্দেশ্যকে তুলে ধরেছিলেন, যা আজও ইস্কনের কর্মধারার প্রেরণাস্বরূপ।

সেই সাতটি উদ্দেশ্য হলো-

১. সুসংঘবদ্ধভাবে মানবসমাজে ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান প্রচার করা এবং সমস্ত মানুষকে পারমার্থিক জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত হতে শিক্ষা দেওয়া, যার ফলে জীবনের যথার্থ উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বিভ্রান্তি প্রতিহত হবে এবং জগতে যথার্থ সাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

২.  শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা এবং শ্রীমদ্ভাগবতের  অনুসরণে কৃষ্ণভাবনার অমৃত প্রচার করা।

৩. এই সংস্থার সদস্যদের পরস্পরের কাছে টেনে আনা এবং শ্রীকৃষ্ণের কাছে টেনে আনা এবং এইভাবে প্রতিটি সদস্যচিত্তে এমনকি প্রতিটি মানুষের চিত্তে সেই ভাবনার উদয় করানো যাতে সে উপলব্ধি করতে পারে যে, প্রতিটি জীবই হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিভিন্ন অংশ।

৪. শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রবর্তিত সমবেতভাবে ভগবানের দিব্যনাম কীর্তন করার যে সংকীর্তন আন্দোলন, সে সম্বন্ধে সকলকে শিক্ষা দেওয়া এবং অনুপ্রাণিত করা।

৫. সংস্থার সদস্যদের জন্য এবং সমস্ত সমাজের জন্য পবিত্র স্থান নির্মাণ করা যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর নিত্যলীলাবিলাস করবেন এবং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে তা নিবেদিত হবে।

৬.  একটি সরল এবং অত্যন্ত স্বাভাবিক জীবনধারা সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়ার জন্য সদস্যদের পরস্পরের কাছে টেনে আনা

৭. পূর্বোল্লিখিত উদ্দেশ্যসমূহ সাধন করবার জন্য সাময়িক পত্রিকা, গ্রন্থ ও অন্যান্য লেখা প্রকাশ করা ও বিতরণ করা।

বাংলাদেশে কার্যক্রম :

যদিও প্রতিষ্ঠা নিউ ইয়র্কে, তবে তার প্রধান কার্যালয় ভারতের নদীয়া জেলার মায়াপুরে। প্রতিষ্ঠার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই তারা তাদের শেঁকড় মজবুত করেছে বিভিন্ন দেশে। তন্মধ্যে বাংলাদেশ তাদের অন্যতম টার্গেট। বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৫ সালে।

রামের কৃপা লাভের আশায় বাংলাদেশকে রামরাজ্য বানাতে ও ভারতের অংশ হিসেবে গন্য করতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুরোদমে। ইতিমধ্যে অনেকেই প্রকাশ্যে বলে ফেলেছে। তারা বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গ হিসেবে যুক্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

২০১৯  সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে হরে কৃষ্ণ বলা হচ্ছে। প্রসাদ খাইয়ে শিক্ষার্থীদের ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’ মন্ত্র পাঠ করার ঘটনাকে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করে হাইকোর্ট।

তাছাড়াও বিভিন্ন দুর্ঘটনার পিছনে তাদের পরোক্ষ হাত রয়েছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। যা মাঝে মাঝে প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে। বিরোধীপক্ষকে কঠোরহাতে দমন করা তাদের মিশন। পাশাপাশি সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করার প্রয়াসও তারা গ্রহণ করছে কোন ধরণের রাখ-ঢাক ছাড়াই।

কিছুদিন পূর্বে নরসিংদীর একটি কওমী মাদরাসার ভবন নির্মাণে সহযোগিতার হাত বাড়ানো তার জলন্ত প্রমাণ। তারা শারিরিকভাবে ট্রেনিং নেয়ার ব্যবস্থাও সম্পন্ন করে ফেলেছে ইতিমধ্যে। রাতের আধাঁরে বাড়ির ভেতরে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সংবাদও পাওয়া যাচ্ছে নির্ভরযোগ্য সূত্রে।

বাংলাদেশের গর্ব, সাহসী সাংবাদিক ইলয়াস হাসান তার এক ভিডিওতে ইসকনের বিভিন্ন উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ‘গোপন চিঠি ফাঁস’ নামক ভিডিওতে বলেন, ভারতের পুরাতন দখলদারিত্বের নতুন ভার্সন হলো ইসকন। হাজার বছরের বাঙ্গালী সংস্কৃতি নষ্ট করে দেশকে ভারতের অধীনস্ত করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করার
ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ইসকন। সংস্কৃত ভাষায় তাদের শ্লোগান হলো, ‘নির্যবন করো আজি সকল ভুবন’ বাংলায় যার অর্থ দাড়াঁয় ‘সারা বিশ্বকে কর মুসলমান মুক্ত’। তারা এক ভয়ংকর টার্গেট নিয়ে সামনে এগোচ্ছে।

তারা বাংলাদেশে বিলিয়ন ডলারের মেগা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে। তারা উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের শেষ প্রান্তে। প্রথমে তারা নিম্ন শ্রেণীর হিন্দুদের দলে ভেড়ালেও পরবর্তীতে তারা বিভিন্নভাবে টাকা পয়সার প্রলোভন দেখিয়ে সরকারি-বেসরকারি হিন্দুদের ইসকনে প্রবেশ করাচ্ছে। তিনি একটি ক্লিপ দেখান যেখানে তারা।সম্মিলিত প্রার্থনা করছে, ‘আমরা যেভাবে অখন্ড ভারতে ছিলাম আবার সেভাবে অখন্ড ভারতে ফিরে যেতে চাই’।

ভয়ংকর গোপন চিঠি ফাস এ ভিডিওটিতে আরও চাঞ্চল্যকর যে বিষয়টি উঠে আসে তা হলো, একটি গোপন চিঠি, যা কোন এক হিন্দু কর্মকর্তার পকেট থেকে অসর্তকতাবশত পড়ে যায়। তাতে লেখা আছে :

“হরে হরে     জয় শ্রী রাম
             কৃষ্ণ কৃষ্ণ ”

“প্রভু অভয়চরণারবিন্দ শ্রী চরণের কমলে এই অধমের ভক্তিপূর্ণ দন্ডবধ প্রণাম। কৃপা করে আমাদের মহৎ উদ্দেশ্যাবলী একটু পড়ুন।

মায়ের কৃপায় আপনি সম্মানিত হয়েছেন। দূর্গা আপনার সম্মানকে আরও বাড়িয়ে দিক এই কামনা করি। আমরা মায়ের হারিয়ে যাওয়া বাংলাকে আবার মায়ের পূজোয় ধন্য করতে মহাশয়ের কাছে কিছু আরজি পেশ করছি।

সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল কর্মকর্তাদেরকে আমরা এক মায়ের আচঁলের নিচে আনতে চাই। আমাদের দেহ আত্মা ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য সবার এক।

ইসকন আপনাদের চাকরির পদোন্নতির জন্য যেখানে যা প্রয়োজন  তাই করবে। বিনিময়ে আপনারা ইসকনের জন্য মানে মায়ের জন্য কাজ করবেন।

বিভিন্ন জায়গায় আমাদের জমি-জায়গাসহ বিভিন্ন ভোগান্তিতে আছি। সেখানে আমাদেরকে প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন।

প্রভু সুরেন্দ্রর মাধ্যমে আদালতে আমাদের যথেষ্ট প্রভাব হয়েছে। তবে প্রশাসনের নাজুকতা এখনো কাটেনি। আপনাদের কৃপায় মায়ের ইচ্ছের প্রতিফলন ঘটবে।

ইসকনের সাথে কাজ করার বিনিময়ে আপনাদের স্কেল অনুযায়ী মাসে ৬০% বাড়তি বেতন পাবেন। যা আমাদের চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পরের মাস থেকেই শুরু হবে।

চুক্তির অন্যতম শর্ত, এটা কোন মুসলমানকে জানানো যাবে না। কারণ জগতে তারাই আমাদের একমাত্র শত্রু। তাদের কারণেই আমাদের ধর্ম আজ হুমকির মুখে।

আমরা প্রথমে কিছুটা নমনীয়ভাবে মুসলমানদের ভগবানের স্বর্গীয় বাণী শোনাবো। ধীরে ধীরে কঠোর হতে থাকবো অবাধ্য লোকজনের প্রতি।

প্রস্তাবপত্রটি হাতে পাওয়ার তিনদিনের মধ্যে পত্রবাহকের সাথে যোগাযোগ করে
প্রভুর সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় থাকবো। অথবা স্বামীবাগস্থ ইসকন মন্দিরে গিয়েও
কথা বলার সুযোগ আছে আপনাদের।

প্রভু আপনার কৃপা করুন।
নমস্কারান্তে
ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম”

এ হলো তাদের ভয়ানক কর্মকান্ডের একটি চিঠিমাত্র। এর বাস্তবতা আরও অনেক ভয়ানক ও বিপদজনক। এর কিছু চিত্র আমরা দেখলেই আশা করি আমাদের চোখ খুলবে।

কিছু বাস্তব চিত্র :

ইতিমধ্যেই তারা ২০২১ সালে প্রকাশ্যে বাংলাদেশে শোডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় এখনই জোর-জবরদস্তি শুরু করেছে। সিলেটের কাজলশাহ জামে মসজিদে জুমা আদায়ের সময় তারা ইচ্ছে করেই জোর আওয়াজে লাউড স্পীকার দিয়ে গান বাজিয়ে মুসল্লিদের নামাজ বাধাগ্রস্ত করে। এর প্রেক্ষিতে মুসল্লিরা প্রতিবাদ জানালে পুলিশ এসে উল্টো মুসল্লিদের উপর গুলি বর্ষণ করে। শতাধিক মুসল্লিদের গ্রেফতার করলেও ইসকনপন্থী কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও আটক করা হয়নি।

ইসকনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মন্তব্য করায় সিলেটে একজন ইমামকে হত্যা করা হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী জয়দেব ইসকনে যোগ দিয়ে সাহসী হয়ে ওঠে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে সরাসরি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে কটুক্তি করে। কিন্তু তার কিছু হয় না। শেষ পর্যন্ত জনগনের আন্দোলনের মুখে তাকে গ্রেফতার করলেও সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভারতীয় হাইকমিশনার। এরপর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ফলে জেলে যেতে হয়েছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী একজনকে।

চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীদের হিজাব পরতে বাঁধা দিচ্ছে ইসকনপন্থী শিক্ষকেরা।

চট্টগ্রাম সিলেটসহ বিভিন্ন স্কুলে প্রাসাদ খাইয়ে কোমলমতি শিশুদের মুখে হরে কৃষ্ণ বলানো হচ্ছে। যার ভিডিও চিত্র রয়েছে উক্ত ভিডিওতে। বি, বাড়ীয়ায় কিছুদিন পূর্বে একটি মসজিদে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

ইসকনের সরাসরি সম্পর্ক ভারতের সঙ্গে। এর জানানও দিচ্ছে তারা প্রকাশ্যে। কিছুদিন পূর্বে সিলেটে ইসকনের এক ভবন উদ্ভোধনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরাসরি ভারতীয় হাইকমিশনার। দিল্লির দাপটে বাংলাদেশের হিন্দুরাও এখন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশকে ভারত বানাবার। যাদেরকে আমরা আমাদের ভাই হিসেবে মনে করেছিলাম তারাও এখন প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতাদের ভোগবাদী মানসিকতার কারণে বাংলাদেশের অর্ধেক আজ চলে গেছে ভারতের হাতে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে আছে ইসকনপন্থী লোকেরা। যারা ইসকনের যেকোন সমস্যায় প্রশাসনিক সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে থাকে। আর সবগুলোর পিছনে আছে মোদি তথা তার দেশ ভারত। মূলত সরকারের নিরবতা ও ভারতের সহায়তায় সারাদেশে বাড়ছে ইসকনের কার্যক্রম।

ভারত দেশটাকে এমনভাবে গিলে ফেলেছে সরকার ইচ্ছে করলেই এখন সে জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না। কিছুদিন পূর্বে আমেরিকায় গিয়ে প্রিয়া সাহার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধে ছিলো বিষয়টি এমন নয়, বরং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও ছিলো কিন্তু রাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি। প্রিয়া সাহা ইসকনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত কিনা জানা না গেলেও ভারতের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা স্পষ্ট।

বাংলাদেশে ইসকন পরিচালিত মন্দিরসমূহ :

দেশের প্রতিটি বিভাগে তাদের মন্দির রয়েছে। বাংলা উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে শুধু ঢাকা বিভাগেই রয়েছে ১৩টি।


তার অন্যতম ও বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় হচ্ছে: ‘ইসকন স্বামীবাগ আশ্রম, ৭৯,৭৯/১ স্বামীবাগ রোড, স্বামীবাগ, ঢাকা-১১০০।

এছাড়াও সিলেট বিভাগে ৭টি। চট্টগ্রামে ১৭ টি। খুলনায় ১০টি। রংপুরে ৮টি। রাজশাহী ও বরিশালে ৯ টি। আরেকটি সূত্রে দেখা যায় সারা বাংলাদেশে বর্তমানে ইসকনের মন্দিরের সংখ্যা ৭১টি। যা ২০০৯ সালে ছিলো ৩১ টি। অন্যদিকে ভারতে বর্তমানে ইসকনের মন্দির ৬৪টি।

তাদের টার্গেট ২০২১ সালের ভিতরে বাংলাদেশকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা। একজন সাবেক বিশেষ বাহিনীর কর্মকতার দাবী আরও ভয়ংকর চিত্র তুলে ধরছে। তিনি বলেন, “ইসকনের বিষয়টি আমরা পূর্ব থেকেই জানি। কিন্তু কিছুই বলার নেই। আমার বিষয়টি
দেখ, আমার মেয়াদ ছিলো আরও ছয় বছর। আমাকে থাকতে দেয়া হয়নি। আমি যেদিন শেষ অফিস করেছি অফিসারদের চোখের পানি টলমল করেছে, কিছু বলতে চায় কিন্তু কিছু বলার নেই। তুমি যা বলছ তা ঠিক কিন্তু ভারত বাংলাদেশ এখনই দখলে নিবে এটা ঠিক না। তারা এখন সবকিছু নিয়ন্ত্রণ নেবে, ইসকন সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে, কিন্তু এখনই তারা দেশ দখলে নেবে না। এক সময় বাঙ্গালী মুসলমানরা যখন বুঝতে পারবে যে, হিন্দুরা আমাদের নির্যাতন, নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করেছে তখন একটি ছোট বা বড় রায়ট হবে। ভারত সে রায়টকে কিছুদিন চলতে দিবে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখানকার ভারতীয়দের বাড়ী-ঘর, মন্দির ইত্যাদি ভাঙচুর করবে। আগুন দেবে। এবং বিশ্বকে বুঝানোর চেষ্টা করবে যে, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম পর্যায়ে চলছে। এবং আমাদের এখানে বাহিনী পাঠানো দরকার। এবং তখন তারা তাদের পদাতিক বাহিনী পাঠাবে। তখন সেটা হবে বাংলাদেশ দখলের একটা সূচনা মাত্র। কিন্তু তখনও তারা একবারে দখল করে নেবে না। এবং এখন যারা ক্ষমতায় আছে তাদেরই কাউকে কাউকে রাখবে, তাদের চেয়ারগুলো থাকবে কিন্তু আদৌ তাদের কোন ক্ষমতা থাকবে না।”

বিডিয়ার হত্যাকান্ড, ইসকনের আবির্ভাব, প্রিয়া বালা ওরফে প্রিয়া সাহার বাড়ী পোড়ানোর নাটক, শাহরিয়ার কবিরের যুক্তরাষ্ট্রের সফর, বাংলাদেশের বিভিন্ন
হিন্দুদের পক্ষ থেকে ভারতকে বাংলাদেশ দখল করে নেয়ার আহ্বান, ভারতের বিভিন্ন মুখ্যমন্ত্রীদের অবিভক্ত বাংলার দাবী, প্রিয়া সাহার ঘটনার পর বাংলাদেশের হিন্দুদের বিতর্কিত।লেখালেখি এসবই ভারতকে বাংলাদেশে ঢুকানোর একটি পায়তারা মাত্র। আর এসব বাস্তবায়িত হলে শেখ হাসিনা আরও কিছুদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকবে ঠিকই কিন্তু ক্ষমতা হারাবে বর্তমানে লূটেপুটে খাওয়া আওয়ামীলীগ, পুলিশ
প্রশাসনের মুসলমানেরা। আর জনগন হারাবে ইসলাম পালনের স্বাধীনতা। আর সেই সঙ্গে বলতে হবে জয় শ্রী রাম। এভাবেই সরকারের পালিত কালোসাপ একদিন দংশন করবে সরকারকে।

ভারতপ্রেমে জর্জরিত সরকার একদিন ছটপট করতে থাকবে বাঁচবার জন্য কিন্তু সেদিন বাঁচার সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে সরকার তথা আঠারো কোটি মানুষের।
প্রিয় পাঠক, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে জাগ্রত হওয়ার কি সময় এখনও হয়নি? আর কতদূর এগুলে আমরা জাগ্রত হবো?

পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার মতামত জানান এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ!


Deprecated: Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/ourmedia24/public_html/wp-includes/functions.php on line 5411

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved 2020 ourmedia24. কারিগরি সহায়তায়ঃ
Theme Customized By BreakingNews